বরখাস্ত রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগ না রাখার অনুরোধ

প্রকাশ:| শনিবার, ২৫ জুলাই , ২০১৫ সময় ০৭:২৪ অপরাহ্ণ

বরখাস্তকৃত ও অপসারিত শার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স মাহমুদ এমএম সাল্লাবির সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক কার্যক্রম ও যোগাযোগ না রাখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত লিবিয়ার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স খালেদ মোহাম্মদ আবু সাইদ।

শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অনুরোধ জানান।

খালেদ মোহাম্মদ আবু সাইদ জানান, গত ২ জুলাই লিবিয়ার পররাষ্ট্র ও আন্তার্জাতিক সংস্থা (এফঅ্যান্ডসি) বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পত্র মারফত সাল্লাবিকে অপসারণ করেন। বিষয়টি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়। একই দিন তাকে ভারপ্রাপ্ত শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘এটা খুবই বিব্রতকর যে সাল্লাবি সরকারি আদেশ অমান্য ও অসম্মান করে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করেছে। ডিপ্লোম্যাটিক কোরের পদ ব্যবহার করে তিনি চিঠিপত্র চালাচালি করেছেন। এমনকি তার জাল করা ১৪ জুলাই তারিখের দুটি চিঠিতে দাবি করেছেন যে, তিনি আমাকে ও সহকারী লেবার অ্যাটাশেকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি জানতেন না যে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই লিবিয়ার পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রশাসনিক আদেশবলে আমাকে ঢাকাস্থ লিবিয়া অ্যাম্বেসিতে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘গত ৯ জুলাই আমি অফিসে গিয়ে স্টাফদের আমার নির্দেশ অনুসরণ করতে বলি। পক্ষান্তরে সাল্লাবি প্রচার করেন, স্থানীয় দুর্বৃত্তরা লিবীয় অ্যাম্বাসি আক্রমণ করেতে এসেছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী তখন আমরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আইনজীবীর সহায়তা নিই।’

পরবর্তীতে ১৫ জুলাই রাত সাড়ে ৯টায় সাল্লাবি দূতাবাসের দেয়াল টপকে প্রায় ৫০ জন ভাড়া করা বাংলাদেশি নাগরিক নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে এবং কিছু কূটনীতিককে শারীরিকভাবে আঘাত করে বলেও তিনি দাবি করেন।

এসব অপকর্মের কারণে মাহমুদ এমএম সাল্লাবিকে যথাসময়ে লিবিয়াতে ফেরত পাঠানো হবে ‍উল্লেখ করে তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- লিবীয় দূতাবাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জহির হাদী, লিয়াঁজো অফিসার মান্নান চৌধুরীসহ অন্য কর্মকর্তারা।