বন্যায় কৃষিও মংস্যখাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট , ২০১৫ সময় ০৬:৫৮ অপরাহ্ণ

ইমরান এমি আনোয়ারা প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় বন্যায় তলিয়ে যাওয়া সাত দিনে কৃষি ও মংস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় কোমেন এর প্রভাবে উপজেলার হাইলধর, বারখাইন, পরৈকোড়া, বরুমচড়া, জুইদন্ডী, রায়পুর ইউনিয়ন এলাকায় পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষি জমি ও মংস্য ঘের । উপজেলার হাইলধর, তৈলারদ্বীপ ও বারখাইন এলাকায় বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। উপজেলায় মোট ১৬৪১৩ হেক্টর জমিতে কৃষি চাষ হয়,এর মধ্যে ৬৩০ হেক্টর আউশ-আমনের ফসলাদি জমিতে তলিয়ে গিয়ে ৪৪ লাখ ১৪ হাজার ৮০০ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একরাম উদ্দীন।
তিনি আরো বলেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের সাহায্যের কোন ধরনের সুযোগ নেই,তবে এখনো সম্পূর্ণ ক্ষয়ক্ষতির পরিমান হিসাব করা হয়নি বিস্তাািরত পরে জানানো হবে।
এছাড়াও ৪৪৭২ টি পুকুর,১১৫টি বাগড়া চিংড়ির ঘের,৫০০টি গলদা চিংড়ির ঘেরের মাছ ও চিংড়ি পানিতে ভেসে যায়, এতে আনুমানিক ১০ কোটি ৬০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন সিনিয়র উপজেলা মংস্য কর্মকর্তা অনিল কুমার সাহা।
এব্যাপারে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইুফুল ইসলাম জানান সরকারের পাশাপাশি মাননীয় ভূমিপ্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধরী জাবেদ ও সুধী সমাজের ব্যাক্তিদের নিয়ে আমরা পাশে দাড়িয়েছি।

হাইলধর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থ মংস্য খামারী রাশেদুল ইসলাম বলেন বিভিন্ন ব্যাংক থেকে কিস্তি নিয়ে তিনটি মাছের খামার করেছি এ বন্যায় আমার সব শেষ হয়ে গেছে এখন আমি নি:স্ব হয়ে গেলাম।

এব্যাপারে রুদুরিয়া এলাকার কৃষক মনজুরুল আলম আকুতির সুরে জানান গত সাতদিনের টানা বৃষ্টিতে আমার ৫ খানী জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে,এখন আমার কিছু রয়লো না। এদিকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের সরকারী ভাবে এখনো কোন সহায়তা আসেনি বলে জানান ক্ষতিহ্রস্থ কৃষকরা।