বন্দরের ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ বাসিন্দাদের নিয়োগ প্রদানের দাবি

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| শনিবার, ৬ জানুয়ারি , ২০১৮ সময় ১০:০৪ অপরাহ্ণ

”সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক অধিকার ফোরামের ১৩ দফা দাবি পেশ”
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
নগরীর বন্দর ইপিজেড পতেঙ্গা অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের বিভিন্ন দাবী-দাওয়া এবং অত্র অঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দাদের ভিটেমাটি ভূমি অধিগ্রহণ করে যে সমস্ত সরকারী, বেসরকারী,আধাসরকারী,স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, সে সকল প্রতিষ্ঠানে ঐ ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বৈধ চাকুরী,নিয়োগ সহ অন্যান্য দাবী আদায়ের লক্ষে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে ক্ষতিগ্রস্থ নাগরিক অধিকার ফোরাম ১৩ দফা দাবি প্রকাশ করে।
ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে কিছু জায়গায় নিজস্ব অর্থায়নে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করলে বন্দর কর্তৃক সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর সাথে বার বার প্রতারনার আশ্রয় নেন বলে ক্ষতিগ্রস্থ নাগরিক অধিকার ফোরাম ’র আহবায়ক হাজী হারুণ উর রশিদ, সদস্য সচিব মোঃ আব্দুল মান্নান লিখিত বক্তব্যে জানান।
তারা আরো জানান যে, বন্দর সম্প্রসারণ কালে ৩৯নং ওয়ার্ডের নিউমুরিং এর আংশিক ভিটেমাটি ভূমি অধিগ্রহণ করে ৩৭নং ওয়ার্ডের বড়পুল এলাকায় পূর্নবাসন দিলেও ভূমির রেজিষ্ট্রশন না পাওয়ায় নিদারুণ দূর্ভোগে পড়েছে স্থানীয় বাস্ন্দিরা। ভূমির প্রকৃত মালিক দের দ্রুত বন্দর কর্তৃক দ্রুত রেজিষ্ট্রশন প্রদানের দাবি জানান। রেজিষ্ট্রশন প্রদান করা না হলে এলাকাবাসী কঠোর কর্মসূচি ঘোষনা করবেন বরে হুশিয়ারী দেন।
এছাড়া এই বন্দরের অপরিকল্পতি সম্প্রসারণের কারণে প্রতিনিয়তই বন্দর ইপিজেড পতেঙ্গা অঞ্চলের জনগন তীব্র যানজট এবং কর্ণফুলীর অস্বভাবিক জোয়ারের পানিতে নিম্মোঞ্চল তলিয়ে যাই।শীতের সময় ও বর্তমানে এই জোয়ারের পানি জমে জনদূর্ভোগ সৃস্টি হচ্ছে বলে জানান। আর এই অসনীয় যানযট নিয়ন্ত্রÍনে ৩৮নং ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং,বন্দর টিলা এবং কেইপিজেড (স্টীল মিল বাজার)এলাকায় উভয় পার্শ্বে ফুটওভার ব্রীজ নির্মানের জোর দাবি তুলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ এসকান্দর মিয়া,হাসান মুরাদ, হাজী মোঃ হাসান, সুলতান নাছির উদ্দিন শাহ, হাজী মোঃ ইলিয়াছ,হাজী মোঃ ফরিদ, আইয়ুব,মহিলানেত্রী শারমিন ফারুখ সুলতানা, মো. ইউনুছ, মোঃ হোসেন, আজিম, হাবীব শরিফ,এম.এ তাহের সহ ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।