বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেকের ১১৮ তম জন্মবার্ষিকী পালিত

প্রকাশ:| শনিবার, ১৯ জুলাই , ২০১৪ সময় ১১:৫৩ অপরাহ্ণ

ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেকের ১১৮ তম জন্মবার্ষিকী পালিতগণ মানুষের আপনজন ও কর্তব্যনিষ্ঠ পুরুষ দেশের খ্যাতিমান প্রকৌশলী, দৈনিক আজাদীর প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক এর ১১৮ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে ১৮ জুলাই ২০১৪খ্রি: শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় একটি মিলনায়তনে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি সাবেক কমিশনার হাজী জয়নাল আবেদীন এতে সভাপতিত্ব করেন। আলোচনা করে অধ্যক্ষ সানাউল্লাহ, লায়ন সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, ইতিহাসবিদ সোহেল মোহাম্মদ ফকরুউদ্দিন, সাংবাদিক কিরণ শর্মা, সাংবাদিক সাইদুল ইসলাম, ইফতেখারুল ইসলাম, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন হিরু, রেজাউল করিম খন্দকার বুলবুল, শাহ আলম, জসিম উদ্দিন, জাভেদুল ইসলাম শিপন, নাজমুল হুদা, সাইফুল ইসলাম, মুজিবুর রহমান, ছাত্রনেতা এম কায়সার উদ্দিন, বোরহান উদ্দিন গিফারী,
মো. আলাউদ্দিন, খোরশেদ আলম, মো. হাবিবুল্লাহ খান, আসিফ ইকবাল, ডা. আর কে রুবেল, রেজা মোজাম্মেল, আজহার মাহমুদ, মোরশেদ তালুকদার, এম এ হোসাইন, এস এম মিরাজ, মো. কাসেম চৌধুরী, নোমান উল্লাহ বাহার, মো. সাখাওয়াত হোসেন সওকত, আরমান হোসেন রিজভী, রাকিবুল ইসলাম রিজভী, এনামুল হক হৃদয় ও আজিম উদ্দিন প্রমুখ আলোচনা করেন।
আলোচকগন বলেন, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক সরকারী চাকুরী ছেড়ে তিনি কোহিনুর লাইব্রেরি ও কোহিনুর ইলেকট্রিক প্রেস গড়ে তুলেন। পাঠক সৃষ্টির কারখানা হিসেবে কোহিনুর লাইব্রেরি ব্যবহার করেন। ১৯৩০ সনে তিনি কোহিনুর ইলেকট্রিক প্রেস গড়ে তুলেন। ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক ১৯৫০ সনের ২২ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক কোহিনুর প্রকাশ করেন। আলোচকগন বলেন, ১৯৫২ সনে চট্টগ্রামের নন্দিত সন্তান মাহবুর উল আলম চৌধুরী রচিত অমর কবিতা ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি’ কবিতাটি ছাপা হয় ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক এর প্রেস থেকে। যা ছিল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬০ সনে দৈনিক আজাদী প্রকাশ করেন। আলোচকগন আরো বলেন, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেকের দেশপ্রেম অতুলনীয়। তার জীবন দর্শন বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম অনুসরণ ও অনুকরণ করলে জাতি উপকৃত হবে। আলোচনা সভা শেষে ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেকের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত সকলে মিলে ইফতারে শরিক হন। মিলাদ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা হারুনুর রশিদ চৌধুরী।