বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদ

প্রকাশ:| শনিবার, ২০ ডিসেম্বর , ২০১৪ সময় ১১:২৯ অপরাহ্ণ

দৈনিক আজাদীর সম্পাদক, প্রথিত যশা সাংবাদিক অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদের ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে তিন কৃতি সাংবাদিক ওবায়দুল হক, এম নাসিরুল হক ও হেলাল উদ্দিন চৌধুরীকে গুনী সাংবাদিক ‘অধ্যাপক খালেদ স্মারক সম্মাননা‘ প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষে ২০ ডিসেম্বর ২০১৪খ্রি. শনিবার বিকেলে নগরীর বাওয়া শিশু সদনে অনুষ্ঠিত সম্মাননা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্য বিভাগের প্রফেসর ড. জীনবোধী ভিক্ষু। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদের পুত্র মোহাম্মদ জহির।
অধ্যাপক খালেদ স্মারক সম্মাননা তুলে দেন প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. অনুপম সেন। সম্মাননা গ্রহন করেন এম নাসিরুল হক ও হেলাল উদ্দিন চৌধুরী এবং ওবায়দুল হকের পক্ষে তার পুত্র সামশুল হুদা । সম্মাননা গ্রহন করে কৃতি সাংবাদিক এম নাসিরুল হক ও হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি’র ভাষনে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন, অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ ছিলেন সাংবাদিকদের আদর্শ ব্যক্তিত্ব। সততার উপর নীতি নৈতিকতার ভিত্তিতে তিনি আজীবন সাংবাদিকতা করে গেছেন। লোভ-লালসা, প্রভাব প্রতিপত্তি তার ছিল না। ড. সেন বলেন, চাওয়া পাওয়ার বাসনা যার নেই সে কোনদিনই অপকর্ম করে না। তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ। তিনি বলেন, অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ ১৯৭০ সনে এম এন এ নির্বাচিত হন। ১৯৭৫সনে বাকশাল প্রতিষ্ঠিত হলে তাকে চট্টগ্রাম গভর্নর নির্বাচিত করা হন। মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও অসাম্প্রদায়িকতার আন্দোলনের পুরোধা অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদের জীবনকে অনুসরণ করা হলে বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম উপকৃত হবে।


আরোও সংবাদ