বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট , ২০১৩ সময় ০৩:১৭ অপরাহ্ণ

bangabandhu_সমাধিস্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৮তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মরহুমের সমাধি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি তারা এই শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ফাতেহা পাঠ ও শেখ মুজিবসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন। এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর।

এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় টুঙ্গিপাড়া সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। শোক দিবসের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে তিনি বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ছেড়ে যান।

এর আগে আজ সকাল সাড়ে ৬টায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর মধ্য দিয়ে ১৫ আগস্টের কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

এ সময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা ও ৩ বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানায়।

ধানমন্ডিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বনানীর কবরস্থানে ১৫ আগস্টে নিহত ব্যক্তিদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিভিন্ন সংগঠন। পরে সেখানে নিহত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়

শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীকে জাতীয় শোকদিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে। দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনে কালো পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট রাতে সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী সদস্যদের হাতে ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর সড়কের নিজ বাসভবনে সপরিবারে নৃশংস হত্যার শিকার হন শেখ মুজিবুর রহমান। তবে ওই সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেলজিয়ামে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান।