বঙ্গবন্ধুর সংবিধান,পুনঃপ্রবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৫ এপ্রিল , ২০১৮ সময় ১০:১৪ অপরাহ্ণ

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি লেখক-সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা শাহরিয়ার কবির বলেছেন, বাংলাদেশের পাকিস্তানিকরণ প্রতিহত করার প্রধান অস্ত্র হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর সংবিধান, যার পুনঃপ্রবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন ও সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অস্বীকার করার অর্থ হচ্ছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্বীকার করা। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর থেকে যে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়েছিল, যা নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনে বৈধতা দিয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়া পর্যন্ত পৌনে দু’বছর বাংলাদেশ শাসিত হয়েছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে, যা সংবিধানেরও অবিচ্ছেদ্য অংশ।

শাহরিয়ার কবির ১০ এপ্রিল সরকারিভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানিয়ে বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অস্বীকার করবে, যারা একাত্তরের গণহত্যা অস্বীকার করবে কিংবা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্বীকার করবে তাদের শাস্তি প্রদানের জন্য ইউরোপের হলোকস্ট ডিনায়াল অ্যাক্টের মতো কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর সংবিধানের মূল চেতনা পুনর্স্থাপন করতে হবে। বঙ্গবন্ধু ধর্মের নামে রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ গড়া যাবে না।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ৪৭তম’ দিবস পালন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) বিকেল চারটায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির আর্ট গ্যালারি ভবন মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এবং বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে শাহরিয়ার কবির এসব কথা বলেন।

কমিটির কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।

মুখ্য আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আকতার। আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা ফাহিম উদ্দিন আহমেদ, চন্দনাইশ পৌরসভার মেয়র রাজনীতিক মাহবুবুল আলম খোকা, নারীনেত্রী জেসমিন সুলতানা পারু, প্রফেসর ড. গাজী সালেহউদ্দিন, শিল্পী সৌমেন দাশ, স্বাধীনতা সংগ্রামী মানিক চৌধুরীর

ছেলে দীপংকর চৌধুরী কাজল, এমএ আজিজের ছেলে সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, জহুর আহমদ চৌধুরী ছেলে জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক রাষ্ট্রদূত ওসমান সরওয়ারের মেয়ে নাজনীন সরওয়ার কাবেরী, ১৪ দলীয় জোট নেতা স্বপন সেন প্রমুখ।
ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে ছাব্বিশে মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞসহ এ ঐতিহাসিক ঘোষণার প্রেক্ষাপট। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ ঘোষণাপত্র অস্বীকার করার অর্থ হচ্ছে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান এবং প্রজাতন্ত্রের মূল ভিত্তিকে অস্বীকার করা।

ড. শিরীণ আকতার নির্মূল কমিটির আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নির্মূল কমিটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস পালন করছে এবং তারা ইতোমধ্যে সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্বীকারকে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। নইলে বাংলাদেশের অস্তিত্বের ভিত্তিমূলে এ ধরনের আঘাত ক্রমাগত চলতেই থাকবে এবং নতুন প্রজন্ম বিভ্রান্তির স্বীকার হবে।

শওকত বাঙালি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের বাংলাদেশ বিরোধী ও রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ১০ এপ্রিল ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ দিবস পালন করতে হবে। একই সঙ্গে বলতে হবে যারা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্বীকার করবে তারা রাষ্ট্রদ্রোহী, তারা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভের অযোগ্য। সময় হয়েছে ইউরোপের মতো আইন প্রণয়নের। একাত্তরের গণহত্যা অস্বীকার কিংবা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্বীকার শাস্তিযোগ্য অপরাধ গণ্য করে নতুন আইন

ছেলে দীপংকর চৌধুরী কাজল, এমএ আজিজের ছেলে সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, জহুর আহমদ চৌধুরী ছেলে জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক রাষ্ট্রদূত ওসমান সরওয়ারের মেয়ে নাজনীন সরওয়ার কাবেরী, ১৪ দলীয় জোট নেতা স্বপন সেন প্রমুখ।
ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে ছাব্বিশে মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞসহ এ ঐতিহাসিক ঘোষণার প্রেক্ষাপট। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ ঘোষণাপত্র অস্বীকার করার অর্থ হচ্ছে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান এবং প্রজাতন্ত্রের মূল ভিত্তিকে অস্বীকার করা।

ড. শিরীণ আকতার নির্মূল কমিটির আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নির্মূল কমিটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস পালন করছে এবং তারা ইতোমধ্যে সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্বীকারকে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। নইলে বাংলাদেশের অস্তিত্বের ভিত্তিমূলে এ ধরনের আঘাত ক্রমাগত চলতেই থাকবে এবং নতুন প্রজন্ম বিভ্রান্তির স্বীকার হবে।

শওকত বাঙালি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের বাংলাদেশ বিরোধী ও রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ১০ এপ্রিল ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ দিবস পালন করতে হবে। একই সঙ্গে বলতে হবে যারা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্বীকার করবে তারা রাষ্ট্রদ্রোহী, তারা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভের অযোগ্য। সময় হয়েছে ইউরোপের মতো আইন প্রণয়নের। একাত্তরের গণহত্যা অস্বীকার কিংবা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্বীকার শাস্তিযোগ্য অপরাধ গণ্য করে নতুন আইন