‘বঙ্গবন্ধুর অতৃপ্ত আত্মার প্রতিটি নিঃশ্বাস বুলেট হয়ে বাঁধুক ঘাতকের বুকে’

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| সোমবার, ২৭ আগস্ট , ২০১৮ সময় ০৭:২৪ অপরাহ্ণ

Posted by Jahedur Rahman Shohel on Saturday, August 25, 2018

খাগরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কর্তৃক আয়োজিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর ৪৩ম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা গতকাল ২৬/০৮/২০১৮ইং রোজ রবিবার বেলা ৩ ঘটিকায় স্থান খাগরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু তাহের মেম্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত শোক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়ির সহ-সভাপতি, চন্দনাইশ সাতকানিয়া মাটি ও মানুষের নেতা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক জনাব মফিজুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আব্দুল মোতালেব সিআইপি, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দীন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা কোরবান আলী বাদশা, সহ-সভাপতি এডভোকেট প্রদীপ দাস, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সালাউদ্দিন শাহরিয়ার, আক্তার হোসেন চেয়ারম্যান, বিশেষ বক্তা কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক জাহেদুর রহমান সোহেল, আরো বক্তব্য রাখেন সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সদস্য হাসান মাহমুদের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন নুরুন নবী বাদশা, আব্দুল গফুর, নুর হোসেন মাষ্টার, চন্দনাইশ উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সদস্য শাহনাজ বেগম, খাগরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি হারুন উর রশীদ খোকা, সাধারণ সম্পাদক আলী নুর মানিক, উত্তর সাতকানিয়া যুবলীগ নেতা মোঃ মহসিন হেলার ডিলার, সাবেক ছাত্রনেতা মুন্সী আব্দুর রব, আবুধাবী বঙ্গবন্ধু পরিষদের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আইয়ুব খান, মোঃ আলী, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নেতা মোঃ ফোরকান, মোঃ মনজুর, ফখরুল হাবিব মাসুম, রাসেদুল ইসলাম, রফিক আহাম্মদ শাহ, মোয়াজ্জেম হোসেন রুবেল, সাইফুল ইসলাম রুবেল, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোরশেদ, মোঃ আসিফ, তারেকুল ইসলাম, জাসেদুল ইসলাম, মোঃ মামুন, মোমিনুল হক প্রমুখ। প্রধান অতিথি জনাব মফিজুর রহমান বলেন, বাঙ্গালী জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল ও দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেওয়া যে বঙ্গবন্ধুর আজন্ম লালিত স্বপ্ন ছিল। তাঁর বিভিন্ন সময়ে উচ্চারিত কথা বলার মধ্যে সেই প্রমাণ পাওয়া যায়। শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন প্রকৃত অর্থে শ্রেণী-বৈষম্যহীন মর্যাদাবান বাঙ্গালি জাতি গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বাংলার কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি জনতার ভালোবাসা তাঁর কাছে পরমারাধ্য ছিল। রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তিনি ধনীক শ্রেণির বদলে সাধারণ বাঙ্গালীর স্বার্থকে বড় করে দেখেছেন। বঙ্গবন্ধুর নিজের কথামালার মধ্যেই তাঁর ব্যক্তিত্ব, সাহস, বিচক্ষণ নেতৃত্বে অকুণ্ঠ দেশপ্রেম, বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে দুরদর্শী চিন্তা, আপোষহীন চেতনা ও আদর্শসহ বিশাল হৃদয়ের পরিচয় পাওয়া যায়। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের মধ্যে দিয়ে স্বাধীন মুক্তিপাগল জনতার সামনে ঘোষণা করেছেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।” সেই থেকে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ ৬৯ হাজার মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা যার নাম বাংলাদেশ। খন্দকার মোস্তাক, মেজর জিয়ার দোসররা, মেজর ডালিম, রসিদ, নেতৃত্বে ৩২ ধানমন্ডীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ পরিবারের ১৭জন কে হত্যা করেছিল। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার যে সাক্ষাৎকারটি সাক্ষী হিসেবে আমরা পেয়েছি ব্রিটিশ সানডে পত্রিকার সাংবাদিক আন্থনী মাসকারেহাস তার রচিত বাংলাদেশ রক্তের ঋণ লেখাটিতে এবং সাক্ষাতকারটি সেই সময় প্রচারিত হয়। সেই সময় সাক্ষাতকারে মেজর ফারুক রসিদ নিজেরাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছি স্বীকার করেন। তারা আরো বলেন, মেজর জিয়াউর রহমান মৃতুর আগের দিন পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু হত্যার সব পরিকল্পনা তিনি জানতেন এবং মিলে হত্যা করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের জন্য মেজর জিয়ার মরোণোত্তর বিচার হওয়া উচিত। বঙ্গবন্ধু হত্যায় যারা দোষী তাদের অনেকের বিচার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যারা বিদেশে পলাতক আছেন তাদের অবিলম্বে দেশে ফেরত এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করা হোক।