ফেলানী হত্যার ঘটনায় যে সুবিচার আশা করা হয়েছিল তা পাওয়া যায়নি স্বরাষ্ট্রমন্ত্

প্রকাশ:| শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ১১:৪০ অপরাহ্ণ

ফেলানীস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, ফেলানী হত্যার ঘটনায় যে সুবিচার আশা করা হয়েছিল তা পাওয়া যায়নি।ফেলানী হত্যায় সুবিচার হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মৃত্যুর পর দীর্ঘক্ষণ কাঁটাতারের বেড়াতেই ঝুলে ছিল ফেলানীর মৃতদেহ।

শনিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানা উদ্বোধন করতে এসে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। থানাটি ফেলানীর কলোনীটারী গ্রামের বাড়ি থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরত্বে।

ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী খাতুন নিহতের ঘটনায় বিএসএফ আদালতের রায়ের বিস্তারিত জেনে সরকার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভোরে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্তে ভারতের কোচবিহার জেলার অন্তর্গত চৌধুরীহাট সীমান্ত চৌকির কাছে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় ১৪ বছরের কিশোরী ফেলানী বিএসএফ কনস্টেবল অমিয় ঘোষের গুলিতে মারা যায় এবং পরে লাশ নিয়ে যায়। ওই ঘটনায় অমিয়কে ‘নির্দোষ’ বলে শুক্রবার রায় দেয় বাহিনীর নিজস্ব আদালত।

ফেলানীর ঘটনা সরকার ও দেশবাসীর জন্য দুঃখজনক উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যথাবিহিত প্রতিকার দাবি করা হয়েছিল। সেখানে বিএসএফের আইন অনুযায়ী বিচার হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আদালত প্রাথমিকভাবে যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে তাতে ফেলানীর হত্যা সংক্রান্ত যে সুবিচার আশা করা হয়েছিল সেই সুবিচার পাওয়া যায়নি।”

রায়ের বিস্তারিত বিবরণ এখনও পাওয়া যায়নি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিস্তারিত বিবরণ পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে এক্ষেত্রে আমাদের তরফ থেকে সরকারের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।”

মৃত্যুর পর দীর্ঘক্ষণ কাঁটাতারের বেড়াতেই ঝুলে ছিল ফেলানীর মৃতদেহ। সেই ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। শুধু ভারত বা বাংলাদেশের নয়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও বিএসএফের কড়া নিন্দা জানায়।


আরোও সংবাদ