ফাইনালে মুখোমুখী তামিম-সাকিব

প্রকাশ:| রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর , ২০১৩ সময় ১০:১১ অপরাহ্ণ

images5গতকাল আবাহনী বাদে বাকি তিন দলের পয়েন্ট ছিল ৬! ফলে কোন দুটি দল ফাইনালে খেলবে, সেটি নিশ্চিত হতে সবাই তাকিয়েছিল আজকের দুটি ম্যাচের দিকে। প্রথম ম্যাচে সাকিবের প্রাইম ব্যাংক নিশ্চিত করেছিল ফাইনাল। পরের ম্যাচে মোহামেডানকে ২৯ রানে হারিয়ে ফাইনালে গেল তামিমের ইউসিবি-বিসিবি একাদশও।
মোহামেডান বনাম ইউসিবি-বিসিবি একাদশের ম্যাচটি আসলে তামিমময়! মিরপুরে বিজয় দিবস টি-টোয়েন্টি কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মোহামেডানের বিপক্ষে কী প্রতাপটাই না দেখালেন এ বামহাতি! তামিমের দুর্দান্ত শতকে ইউসিবি করল ৪ উইকেটে ২১৭। তামিমের অসাধারণ শতকটি মাটি করতে উঠেপড়ে লেগেছিলেন জহুরুল ও জুনায়েদ। মোহামেডানের এ উদ্বোধনী জুটি ৮.৩ ওভারে তুলে ফেলে ১১৮ রান। দারুণ শুরুর পরও শেষ পর্যন্ত অবশ্য ম্যাচ বাঁচাতে পারেনি মোহামেডান। ১৮.৪ ওভারে অলআউট হয়েছে ১৮৮ রান। ইউসিবির কাছে তারা হেরেছে ২৯ রানে।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাশরাফির করা প্রথম ওভারের প্রথম দুই বলে চার দিয়েই ইউসিবির অধিনায়ক তামিম খোলেন রানের খাতা। সেই যে শুরু হলো, তা চলল ১৮ ওভার পর্যন্ত! এর মাঝে হয়ে গেল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ও নিজের প্রথম শতক! শতকও আবার যেনতেন নয়, ৬৪ বলে ১৬টি চার আর চারটি ছয়ে সাজানো ১৩০ রানের রীতিমতো বিস্ফোরক শতক! অর্থাত্ জায়গায় দাঁড়িয়েই তিনি তুলেছেন ৮৮ রান! স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচসেরা তিনি। মাঝে মিঠুন আলীর ৪১ রানের সুবাদে ইউসিবি পায় বড় পুঁজি। তামিম-মিঠুনের জুটি ৬৯ বলে তোলে ১৩৭ রান।
২১৮ রানের বিরাট লক্ষ্য নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই খেলছিল মোহামেডান। ১১৮ রানের মাথায় ৩১ বলে ৮০ রান করে জহুরুল আউট হন এনামুল হক জুনিয়রের বলে। ১৫.৩ ওভারে মোহামেডানের রান ছিল ৪ উইকেটে ১৭৩। এ অবস্থায় মোহামেডান হেরে যাবে, তা ভাবা একটু কঠিনই ছিল বৈকি। ম্যাচে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে হঠাত্ যেন পথ হারিয়ে ফেলল মোহামেডান। তাদের রানের চাকা সচল ছিল ঠিকই, একই সঙ্গে উইকেটের চাকাও! ফলে ওভারপ্রতি ১০.০৭ তুলেও ১৪ বল বাকি থাকতেই ১৮৮ রানে থেমে যায় মোহামেডানের ইনিংস। বঞ্চিত হতে হয় ফাইনাল খেলার সুযোগ থেকে।


আরোও সংবাদ