ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি চাই

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই , ২০১৫ সময় ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি চাইসমাবেশ শুরুর আগে খণ্ড খণ্ড মিছিলে নিয়ে প্রতিবাদী জনতা সমাবেশে যোগ দেন। এক পর্যায়ে সমাবেশ এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। সবার মুখে একটাই দাবি- ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি চাই, রাজন হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।
সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশফাক আহমদের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা জজকোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ।
তিনি বলেন, ‘ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন ও এসআই আমিনুল ইসলামকে থানায় রেখে সুষ্ঠু তদন্ত সম্ভব নয়। রাজনের পরিবার এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। এদের থানা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে শিশু সামিউল হত্যা বিচার ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।’
কোনো আইনজীবী যেন রাজন হত্যা মামলা আসামিদের পক্ষে না দাঁড়ান সে আহ্বানও জানান মিসবাহ।
ঘাতক কামরুলের গ্রাম শেখপাড়ার পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি কামাল উদ্দিন বলেন, ‘গ্রামের মানুষও রাজনের খুনিদের বিচার চায়। বর্বর এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কামরুল জড়িত থাকায় তার পরিবারকে পঞ্চায়েত থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।’
সমাবেশে রাজনের চাচা আবদুল মালিক খুনিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানান। যেখানে রাজনকে হত্যা করা হয়েছে, সেখানেই যাতে গাছে ঝুলিয়ে খুনিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়, সেই দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
সাংবাদিক মকসুদ আহমদ মকসুদের পরিচালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কান্দিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন, টুকেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদ আহমদ, মোগলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম টুনু, রাজনের চাচা আব্দুল মালিক, দক্ষিণ সুরমা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম, অধ্যাপক শফিকুর রহমান, জজকোর্টের অ্যাডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, এপিপি অ্যাডভোকেট নুরে আলম সিরাজী, ছাত্রনেতা হেলাল আহমদ মাছুম, সাংবাদিক নুর আহমদ প্রমুখ।