ফসলি জমি ও পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি , ২০১৫ সময় ১০:২৮ অপরাহ্ণ

মো: মহিন উদ্দীন, হাটহাজারী প্রতিনিধি

হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ও ধলই ইউনিয়নের কাটিরহাট বাজারের উত্তরে নাজিরহাট-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ধলই পুল নামক এলাকার পুর্বে সকল আবাদী ফসলি জমির মাটি কেটে নিচ্ছে একশ্রেণীর ভুমিদস্যূর সিন্ডিকেট চক্র । এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ফসলি জমির মাটি কেটে খাল,পুকুর,ডুবা নালা,জলাশয় ইত্যাদি ভরাট করে তৈরি করছে দোকান-পাট,ঘর-বাড়ী,প্লট ইত্যাদি । প্রশাসন ও ¯’ানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদাসিনতাকে দায়ি করেছেন সচেতন মহল ।প্রতিদিন এই এলাকা থেকে মাটি বোঝায় ২০-৫০টি জিপ ও মিনি ট্রাক চলাচল করে । সম্প্রতি ধলই পুল নামক ¯’ানে মাটি নেওয়ার সময় গাড়ি থেকে মহাসড়কে পড়ে রা¯–া ভরে যায় । যখন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ে তখন সম্পূন্ন(দীর্ঘ আধা কিলোমিটার) রা¯–া পিচ্ছিল হয়ে যায় ।যার ফলে এই মহাসড়কে চলাচল কারি দুইশতাধিক মোটর সাইকেল , সিএনজা বাস জিপ ট্রাকের দুর্ঘটনা ঘটে ছিল । তার মধ্যে বেশী ভাগ মোটর সাইকেল আরোহীরা দুঘটনার স্বীকার হয় ।এই দুঘটনায় আহত রাশেল,রাহাদ চৌধুরী,জাহাঙ্গীর জানান আমরা মুরাপুর থেকে বন্ধুর বিবাহ অনুষ্ঠান ফটিকছড়ি ক্লাবে হচ্ছে সেখানে যাওয়ার সময় এই ¯’ানে দুঘটনায় পড়ে আর যাওয়া হল না । অধিক টাকার লোভে ভুমিদূস্যরা এ ধরণের কাজ করে আবাদী জমিকে অনাবাদী সাথে সাধারণ জনগণের ক্ষতিসাধন ঘটায় প্রশাসন কি করে? অপর দিকে মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া গ্রামের কালু টিলা নামক এলাকায় ফসলি

জমি ও পাহাড় কেটে পরিবেশের মারাত্বক ক্ষতি সাধন করছে চারিয়া বাসিন্দা ভূমিদস্যু শাহাজান ও ইব্রাহিম। তারা সিন্ডিকেট করে প্রতিনিয়ত আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে প্রজেক্টের নামে এস্কবেটর এর সাহায্যে ট্রাকে করে ¯’ানীয় ডি.এম.বি ব্রিক ফিল্ডে মাটি সরবরাহ করছে। ভূমিদস্যু শাহাজানের হাটহাজারী বাজারে সানমুন টেইলার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ¯’ানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর শীত মৌসুমে ব্রিক ফিল্ডের কাচাঁ মাল হিসাবে মাটির বেশ চাহিদা রয়েছে। সে চাহিদা পূজি করে শাহাজাহানরা মাটি বিক্রি করে আসছে। পাহাড় কাটা বেআইনী হওয়ায় সরাসরি পাহাড় না কেটে আইন ফাকি দিয়ে এক অভিনব পš’া অবলম্বন করে মাটি বিক্রি করছে, অবৈধ সিন্ডিকেট। চারদিক পাহাড় মাঝখানে সল্প সংখ্যাক সমতল ফসলি জমি। পাহাড় ঘেষে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা হয়। তাই প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসে সে খালি মাটি কাটা কোয়ায় পূনরায় মাটি ভরাট হয়। আবার শীত মৌসুমে চাহিদা অনুসারে মাটি বিক্রি করা হয়। অন্য দিকে প্রবল বর্ষনে ধসে পড়া মাটি থেকে পানির স্রোতের সাথে পার্শ¦বতী বিলে আমন ধানের ক্ষেতে চোড়া মাটি জমাট হয়ে আমন ধানের চারা নষ্ট হয় তাতে ক্ষতিগ্র¯’ হয় এলাকার কৃষক। নাম প্রকাশ না করার সর্তে ট্রাক চালকরা জানান, দৈনিক ১০০/১২০ ট্রাক মাটি সরবরাহ করা হয় (প্রতি ট্রাকে ৩৫০ ফিট)। এভাবে বছরের পর বছর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রচলিত আইন ফাকি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা আর মারাত্বক হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশ। এই বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ জাফর আলম বলেন, আমাকে কেউ অবহিত করেনি। সত্যতা পেলে আইন অনুযায়ী ব্যব¯’া গ্রহণ করা হবে। হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোয়াজ্জম হোসেন বলেন, আমরা সব সময় আইন অমান্য কারীদের প্রতি সজাগ রয়েছি এবং ভূমি কমিশনার কে নির্দেশনা দেওয়া হবে সে প্রেক্ষিতে তিনি তদš– করে আইনী ব্যব¯’া নিবেন।


আরোও সংবাদ