হোমিওপ্যাথিক পরিষদ আয়োজিত ফসফরাস বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

প্রকাশ:| শুক্রবার, ৬ জানুয়ারি , ২০১৭ সময় ০৯:২৫ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা আয়োজিত ফসফরাস বিষয়ক সেমিনার অদ্য শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় বাহোপ জেলা সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ দেবব্রত ভট্টচার্য’র সভাপতিত্বে চকবাজারস্থ বিজ্ঞান পরিষদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন হোমিওপ্যাথি বোর্ড সদস্য রেক্টর ডাঃ আব্দুল করিম। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাহোপ কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডাঃ অঞ্জন কুমার দাশ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাহোপ চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ডা. মৃদুল কান্তি দে, বাহোপ চট্টগ্রাম জেলা সহ সভাপতি ডাঃ সাধন চন্দ্র পাল, বাহোপ চট্টগ্রাম জেলা সহ-সভাপতি ডা. মোঃ আব্দুর রহমান, বাহোপ চট্টগ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ডা. এস.এম. ছালেহ জাহাঙ্গীর, প্রভাষক ডা. এনামুল হক এনাম, ডা. আ.ক.ম রফিকুল ইসলাম, ডা. সাকিনা আক্তার লাকী, ডা. রতন কুমার বণিক, ডা. এফতেখার উদ্দিন প্রমুখ।
হোমিওপ্যাথির গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ ফরফরাস বিষয়ক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন উদীয়মান হোমিওপ্যাথি ডা. মোঃ জামাল উদ্দিন।
সভাপাতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. দেবব্রত ভট্টাচার্য বলেন, হোমিওপ্যাথি লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। ফসফরাস রোগী সুন্দর লম্বা, সময়ে একটু কুঁজো, মেধাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বেশী ব্যবহৃত হয়।
প্রধান অতিথি রেক্টর ডা. আবদুল করিম বলেন, ফসফরাসের পুুরুষ রোগীরা অত্যন্ত কামাতুর এবং মহিলাদের স্রাব অত্যন্ত বেশী।
প্রধান বক্তা ডা. অঞ্জন কুমার দাশ বলেন, ফসফরাসের রোগী মেধাবী ও তীক্ষ্ম বুদ্ধি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
বিশেষ অতিথি ডা. সাধন চন্দ্র পাল বলেন, ফসফরাস রোগী সব সময় ঠান্ডা খাবার চায়, ঐ খাবার পেটে গিয়ে অনেক্ষণ পর গরম হলে তা আবার বমিও করে।
আলোচনায় আরও অংশগ্রহণ করেন ডা. যতীন্দ্র নাথ বল্লভ, ডা. কাবেরী দাশ, ডা. অমিতা দেবী, ডা. ওমর ফারুক, ডা. সুধীর দত্ত, ডা. দেবারুন হোর, ডা. এম. শাকুর, ডা. শাহ্ মাহফুজুর রহমান, ডা. ফিরোজ আহম্মদ, ডা. মীর শারমিন আক্তার, ডা. নুরুল ইসলাম, মো. ইসমাইল হোসাইন, ডা. মঞ্জুশ্রী চৌধুরী, ডা. ফারজানা শারমিন প্রমুখ।


আরোও সংবাদ