‘‘চট্টগ্রামকে বাসযোগ্য ও গ্রিন সিটি করা হবে’’

প্রকাশ:| রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি , ২০১৬ সময় ১০:০১ অপরাহ্ণ

প্লানিং সেল

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন গঠিত প্লানিং সেলের বৈঠক ১৪ ফেব্রুয়ারী রবিবার সন্ধ্যায় সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্লানিং সেলের সদস্য আই ই বি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন, সাউর্দান ইউনিভার্সিটি‘র সিভিল এর বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক প্রকৌশলী আলী আশরাফ, প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার, প্রকৌশলী সুভাষ চন্দ্র বড়–য়া, স্থপতি জেরিনা হোসাইন, স্থপতি ইনষ্টিটিউট চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক স্থপতি সোহেল মোহাম্মদ শাকুর, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ শফিউল আলম, সচিব রশিদ আহমদ, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি এ কে এম রেজাউল করিম, প্রধান হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো.মাহফুজুল হক, আবু ছালেহ, নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কাজী শফিকুল মন্নান সিদ্দিকী, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী, সহকারী নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি আবদুল্লাহ আল ওমর, সহকারী এষ্টেট অফিসার এখলাস উদ্দিন আহমেদ সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রকৌশলী আলী আশরাফ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’র বিষয়ে কতিপয় প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবে তিনি, নগরীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সেকেন্ডারী ডাম্পিং ষ্টেশন নির্মান, হাইরাজ বিল্ডিং ও অভিজাত এলাকা থেকে ডোর টু ডোর আবর্জনা সংগ্রহ করে ডাম্পিং করা, প্রধান প্রধান সড়ক থেকে ডাষ্টবিন তুলে লেইন বাই লেইনে কাভার ডাষ্টবিন স্থাপন, পলিথিন, কাগজ, বোতল সহ সলিড আবর্জনা সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে ক্রয় করা, বাড়ীর মালিকদের নিজস্ব নালা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার জন্য পুরষ্কৃত করা, কাঁচা বাজারের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে বর্জ্য সংগ্রহ করে সার, বিদ্যুৎ উৎপাদন করা, হাসপাতাল ও ক্লিনিক্যাল বর্জ্য সংগ্রহ করার খরচ বাবদ হাসপাতাল ও ক্লিনিকের মালিকদের নিকট থেকে খরচ আদায় করা, ভ্যানগাড়ী চালকদের বেতন বোনাস দিয়ে বর্জ্য সংগ্রহে উৎসাহিত করা, বর্জ্য ডাম্পিং ষ্টেশনগুলোকে ঝবপড়হফধৎু খধহফ ঋরষষ এ উন্নিত করা ইত্যাদি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। বৈঠকে সিটি মেয়র বলেন, ইতোমধ্যে এডিবি’র অর্থায়নে নগরীতে ৭টি ঝবপড়হফধৎু খধহফ ঋরষষ তৈরী করা হয়েছে। প্রায় ১৬ কোটি টাকা এতে ব্যয় হয়েছে। তবে জায়গা’র অভাবে আরো কয়েকটি ঝবপড়হফধৎু খধহফ ঋরষষ তৈরী করা সম্ভব হয় নাই। সিটি মেয়র বলেন, সিটি গভর্নেন্স প্রকল্পের আওতায় জাইকা’র অর্থায়নে সলিড ওয়াষ্ট ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রকল্প বাস্তবায়ন সহ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সড়ক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে প্রায় ১৮৭ কোটি টাকা উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে আরো উন্নয়ন পরিকল্পনা পাইপলাইনে রয়েছে। জাইকা’র পরিবেশ বিশেষজ্ঞ সহ তাদের বিভিন্ন পর্য্যায়ের বিশেষজ্ঞ টীম সমীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। পাহাড়ের ক্ষয়রোধ করা, পাহাড়ের চারপাশে প্রতিরোধ দেয়াল নির্মাণ সহ নানামুখি প্রকল্প পরিকল্পনা হাতে আছে। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, প্ল্যানিং সেলের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ক্রমে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চট্টগ্রাম নগরীকে বাসযোগ্য, পরিবেশ বান্ধব, ক্লিন ও গ্রিন সিটিতে পরিণত করা হবে। মেয়র বলেন, নানা শ্রেনী ও পেশার বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম এর সৌন্দর্য বর্ধন করে প্রাচ্যর রানী’র সাজে সাজিয়ে তোলা হবে।


আরোও সংবাদ