প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’র ছাত্রীর সাথে শিক্ষকের অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর , ২০১৪ সময় ১০:৪৫ অপরাহ্ণ

মহিন, হাটহাজারী>
হাটহাজারীতে পৌরসভার মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিএসসি ছাত্রীর সাথে মোঃ আবদুল হালিম নামে এক শিক্ষকের অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পৌরসভার মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত এ শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় কথিত শিক্ষার্থীর পিতা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানায় ১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাছাড়া অভিযোগের অনুলিপি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা শিক্ষক কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়েছে।এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও যুব বিষয়ক কর্মকর্তাদের নিয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট তিনজনকে এিকটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তাছাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দিয়ে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।
অভিযোগের বিবরণে জানা যায়,উক্ত বিদ্যালয়ের কথিত শিক্ষক আবদুল হালিমের নিকট পিএসসি পরিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়েন। গত ৫ নভেম্বর উক্ত ছাত্রী সকাল ৭ টায় শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। প্রাইভেট শেষে সকাল সাড়ে ৯টার পূর্বে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে উক্ত শিক্ষার্থীকে এ শিক্ষক জড়িয়ে ধরে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজ করে। পরে শিক্ষার্থী তার বাসায় গিয়ে মাকে সব বিষয়টি খুলে বলে। পরদিন উক্ত শিক্ষার্থী বিষয়টি একই ভাবে তার শ্রেণী শিক্ষককে বলেন। এব্যাপারে কথিত শিক্ষক অবহিত হয়ে শিক্ষার্থীর বাড়ীতে গিয়ে তার অভিভাবকদের নানা ভাবে বশ করতে চায়।অভিভাবকেরা পরদিন এ শিক্ষার্থীকে ভয়ে তার আতœীয় বাড়ীতে পাঠিয়ে দেন।ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে এলাকা বাসীর আশ্বাস ও সহযোগীতায় মেয়ের বাবা বিষয়টি লিখিত ভাবে নির্বাহী অফিসার ও থানার ওসিকে লিখিত অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কবিতা চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেনি ।তবে প্রাইভেট পড়ানোর সময় ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের পক্ষ থেকে তাকে এ ব্যাপারে কেউ জানানি।তিনি লোকমূখে একথা শুনেছে বলে জানান।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল হামিদ আজ বৃহস্পতিবার ঘটনা শুনে তিনি শিক্ষার্থী ও তার পিতা মাতাকে তার দপ্তরে ঘটনাটি জানার জন্য ডেকেছেন বলে জানান।তবে তারা আসেনি।এরপরও তিনি ঘটনার সত্যতা পেলে এ ব্যাপারে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেবেন বলে উল্লেখ করেন।

থানার ওসি ইসমাইল পিপিএম জানান,অভিযোগ পেয়ে তিনি ঘটনা তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন।তদন্ত সাপেক্ষা এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।

বিষয়টি জানার জন্য অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল হালিমকে ফোন করে তাকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য আবদুল হালিম তার কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের এবছর উপজেলার শ্রেষ্ট শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।


আরোও সংবাদ