প্রশ্ন তুলছেন, কেন তুলছেন তা আমি কিছুই জানি না

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি , ২০১৭ সময় ০৮:২৭ অপরাহ্ণ

বোয়ালখালী উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নিজের নাম আসায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) কাছে আপত্তি জানিয়েছিলেন দাবি করে সংসদ সদস্য মঈন উদ্দিন খান বাদল বলেছেন, ‘আমাকে জামুকা-ই মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিল। এরপর আমিই তাতে আপত্তি জানিয়েছিলাম। কিন্তু তবুও তারা ওই দায়িত্বে আমাকে বহাল রাখে। বিষয়টি গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনও জানেন। এরপরেও এখন যারা আমাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, কেন তুলছেন তা আমি কিছুই জানি না।’

শুক্রবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বোয়ালখালী উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা মঈন উদ্দিন খান বাদলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করার পর একইদিন সন্ধ্যায় দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মঈন উদ্দিন খান বাদল বাংলানিউজকে বলেন, ‘বোয়ালখালী উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করলো, কেন করলো তা আমি কিছুই জানি না। কারণ এখানে আমার দোষ কোথায়। আমি আগেই জানিয়েছি, বোয়ালখালীতে আমি যুদ্ধ করিনি। আমি মক্তিযুদ্ধ করেছি চট্টগ্রাম শহরে। তারপরও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আমাকে বোয়ালখালী উপজেলায় সভাপতি মনোনীত করে।’

‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নৌ-সেক্টর পরিচালিত সফলতম যে গেরিলা অপারেশনটি হয় সেখানে আমি মৌলভী সৈয়দ, জামাল উদ্দিনসহ আরও অনেকের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি’-যোগ করেন মঈন উদ্দিন খান বাদল।

তিনি আরও বলেন, ‘আসছে ২৬ ফেব্রুয়ারি বোয়ালখালীতে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের সময়  গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন থাকবেন বলে আমাকে জানিয়েছেন। আর যাদের আপত্তি আছে তারা মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলকে বলুক, মন্ত্রীর কাছে যাক প্রয়োজনে সরকারকেও অবহিত করুক। কিন্তু তারা আমাকে নিয়ে কেনো প্রশ্ন তুললেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসলে আমি থাকলে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধারা তালিকায় স্থান পাবে না। তাই তারা আমার বিরুদ্ধে তকমা লাগাতে ব্যস্ত। এর আগে তারা কয়েকজন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাকে সার্টিফিকেট দিবে বলে টাকা নিয়েছে। মূলকথা আমি থাকলে তো আর এসব দুই নম্বরি হবে না তাই তারা আমার পেছনে লেগেছে।