প্রমাণ হলো নাশকতায় জড়িত সরকারি দল-বিএনপি

প্রকাশ:| রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি , ২০১৫ সময় ০৮:৪৮ অপরাহ্ণ

রোববার সকালে চট্টগ্রাস নগরীর আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনির আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দলীয় কার্যালয়ের পেছন থেকে পেট্রোলবোমা উদ্ধারের ঘটনায় প্রমাণ হয়েছে সরকার সারাদেশে নিজেদের এজেন্ট দিয়ে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষ হত্যা করে বিরোধী দলের উপর বিএনপি লগোদায় চাপাতে চাচ্ছে।

রোববার দুপুরে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতারা এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিরোধী দলের আন্দোলনকে জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বোমা মেরে সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মারছে সরকার দলীয়রা, এটা এখন সবার কাছে পরিষ্কার। নাশকতায় তারাই জড়িত।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, চট্টগ্রামের জনগণ যেভাবে ২০ দলীয় জোটের হরতালে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দিয়েছে তাতে সরকারি দল ও তাদের সন্ত্রাসীরা ভীত হয়ে শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পেট্রোলবোমা মেরে সাধারণ মানুষ হত্যার পরিকল্পনা করছিল। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনির আওয়ামী-যুবলীগ অফিসের পেছনে এসব বোমা মজুদ করা হয়েছিল।

প্রশাসনের কিছু অতি উৎসাহী কর্মকর্তা এই ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্ঠা করছে অভিযোগ করে বিবৃতিতে বলা হয়, প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানীর পথ বেছে নিয়েছে প্রশাসন।

নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি নেতারা বলেন, অন্যথায় অদ্ভুত পরিস্থিতির জন্য প্রশাসন দায়ী থাকবে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আজকের পেট্রোলবোমা উদ্ধারের ঘটনায় চট্টগ্রামে একমাত্র ঘটনা নয়। মাত্র কিছুদিন আগে নগরীর টাইগারপাস রেলওয়ে কলোনিতে বিপুল পরিমাণে পেট্রোলবোমা ও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারের পর সেখান থেকে গ্রেফতারকৃতরাই মিডিয়াকে জানিয়েছে তারা সরকার দলের সঙ্গে জড়িত। সেখান থেকে আটক একজন যুবলীগ নেতার ভাই এবং সেও রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানায়।

বিবৃতিদাতারা হচ্ছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম, সাবেক সাংসদ বেগম রোজী কবির, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শামসুল আলম, মাহবুবুর রহমান শামীম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন ও মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান।