প্রধান বিচাপতির ঘাড়ে বিএনপি -হাছান মাহমুদ

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট , ২০১৭ সময় ০৯:৪০ অপরাহ্ণ

সরকার প্রধান বিচারপতিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্ঠা করছে বলে বিএনপি’র অভিযোগের জবাবে আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন বিএনপি’র নিজেদের কোন রাজনীতি নাই। তারা একেক সময় একেক জনের ঘারে চড়ে রাজনীতি করার চেষ্ঠা করছে। কখনো তারা তেল গ্যাস কমিটির নেতাদের ঘাড়ে, কখনো তারা ফরহাদ মজাহারের ঘারে বসে রাজনীতি করার চেষ্ঠা করেছে। বিএনপি নেতারা এখন প্রধান বিচারপতির ঘারে বসে রাজনীতি করার চেষ্ঠা করছেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাবেক মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সরকার  প্রধানবিচারপতিকে সরিয়ে দেওয়ার কোন চেষ্ঠা করছে না বরং শপথ ভঙ্গ এবং সংবিধান লংঘন করার কারনে প্রধান বিচারপতি নিজেরই পদত্যাগ করা উচিত। প্রধান বিচারপতি পদত্যাক করলেই সব কিছুর সুরাহা হয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের বন গবেষনা ইনষ্টিটিউটের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শনে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।
দেশ কোন সাংবিধানিক সঙ্কটের দিকে যাচ্ছে কি-না- সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সাংবিধানিক সংকট কেনো হবে। দেশে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে এমন কিছুই ঘটেনি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধান বিচারপতি তার রায়ের পর্যবেক্ষনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ে যে কথা বলেছেন তার মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কিছু করছেন কি-না তা ভাববার বিষয়। প্রধান বিচারপতি রায়ের পর্যবেক্ষনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ে  যে কথা বলেছেন তার মাধ্যমে তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। এই কারনে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত। বিএনপি নেতারা প্রধান বিচাপতির বক্তব্য নিয়ে যে লাফালাফি করছেন তাদের জেনে রাখা উচিত এই প্রধান বিচারপতির রায়েই  উল্লেখ আছে জিয়াউর রহমান সামারিক শাসন জারি করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন। তাই ওই সময়ে যে সব আইন হয়েছে সবই অবৈধ। অন্যের ঘাড়ে বসে রাজনীতি না করে বিএনপি’র উচিত নিজেদের ইস্যু নিয়ে রাজনীতি করা।
বন গবেষনা ইনস্টিটিউটের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী ও সংসদীয় কমিটির সদস্য আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, সংসদ সদস্য নবী নেওয়াজ, মোহাম্মদ ইয়াহিয়া এমপি, টিপু সুলতান এমপি, ইয়াছিন আলী এমপি, সংসদীয় কমিটির সচিব মোশতাক আহাম্মেদ, পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোজাহেদ হোসেন।