প্রথম জুমায় মুসল্লিদের ঢল

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৯ জুন , ২০১৫ সময় ০৫:২২ অপরাহ্ণ

পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম দিনে প্রথম জুমার নামাজে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ঢল নেমেছিল। জুমার নামাজের আজান দেয়ার আগেই বিভিন্ন বয়সের রোজাদার ও মুসল্লিরা মসজিদের দিকে ছুটতে থাকেন। নামাজ শেষে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

শুক্রবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজে শরিক হতে অনেক আগে থেকেই মুসল্লিরা আসতে শুরু করেন। জুমার নামাজের আযানের অনেক আগেই জাতীয় মসজিদ কানায় কানায় ভরে যায়। মসজিদের মূল অংশ ছাড়িয়ে রাস্তায় রাস্তায় মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে।

মসজিদের মূল সাহানে স্থান সংকুলান না হওয়ায় জুমার নামাজে আগত মুসল্লিরা রাস্তার উপরই জায়নামাজ, পলিথিন ও কাগজ বিছিয়ে নামাজ আদায় করেন। জুমার নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে দেশ ও জাতির কল্যাণসহ বিশ্ব উম্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাতে শরিক হন মুসল্লিরা।

রমজানের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে জুমার খুতবার আগে বায়তুল মোকাররমের ইমাম হাফেজ মাওলানা মিজানুর রহমান বলেন, ‘পবিত্র রমজান হচ্ছে রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস। পবিত্র এই মাসে এমন একটি রজনী রয়েছে যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এই মাস মুসলমানদের ধৈর্য্য ধারণের উত্তম শিক্ষা দেয়।’

তিনি আরো বলে, ‘বেশি বেশি রিজিকের বরকত হয়। বেশি করে কুরআন তেলাওয়াত, এবাদত-বন্দেগী, পরোপকারের মাধ্যমে এই পবিত্র মাসকে সম্মান করা উচিৎ। রমজানের শিক্ষা কাজে লাগিয়ে বিশ্ব মুসলিমকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হতে হবে।’

বায়তুল মোকাররম ছাড়াও গুলশান গাউছুল আজম মসজিদ, মিরপুরের রোকেয়া সরণির মসজিদ, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া মসজিদ, হাইকোর্ট মসজিদে রমজানের প্রথম জুমায় মুসল্লিদের ছিল উপচে পড়া ভিড়। অনেক এলাকায় মুসল্লিদের ভিড় মূল রাস্তায় চলে যায়। নামাজের সময় ওইসব রাস্তায় বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল।

জুমার নামাজকে বিভিন্ন মসজিদের সামনে ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়।