প্রজন্মের বেড়ে উঠার জন্য সবুজ-সুন্দর পরিবেশ খুবই জরুরী: মেয়র

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| শনিবার, ২৩ মার্চ , ২০১৯ সময় ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ

কোতোয়ালী মোড়স্থ হতে ফিরিঙ্গীবাজার ব্রিজঘাট পর্যন্ত সবুজায়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন মেয়র

কোতোয়ালী মোড়স্থ হযরত শাহ সুন্দর(র.) মাজার শরীফ হতে ফিরিঙ্গীবাজার ব্রিজঘাট পর্যন্ত সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়ন প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় হযরত শাহ জালাল(র.)চিল্লা ও শাহ সুন্দর(র.) মাজার শরীফে ফলক উম্মোচনের মাধ্যমে এই প্রকল্প উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ. জ. ম. নাছির উদ্দীন। উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর আলহাজ্ব হাসান মুরাদ বিপ্লব, তারেক সোলাইমান সেলিম, আলহাজ্ব মো. ইসমাইল বালি, চসিক প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম এবং আরশি নগর এরস্বত্ত্বাধিকারী মো. আবদুল রকিব, মো. আলী টিপু, মো. মাসুম, মো. আলম, মো. আল আমিন,মো. রাসেল,মো. তাহিম উদ্দীন জোসেফ, মো.সাঈদ আব্দুল্লাহ রকি এবং সমাজ সেবক আবদুল হাই, নাসির আহমদ, সবির আহমদ, মো. আমিন,। এছাড়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাফর আহমদ, পুলক খাস্তগির, খোরশেদ আলম রহমান, মিরন হোসেন মিলন, তাজ উদ্দিন রিজভি, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল আজিজ, এনামুল হক, আবদুল মতিন, অসিউর রহমান প্রমূখ।

উদ্বোধন শেষে দেশ জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন মৌলানা আবদুল সাত্তার শিকদার। এ উপলক্ষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মেয়র বলেন স্বস্তিদায়ক ও আরামময় নাগরিক জীবন যাপন নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন গ্রিন ও ক্লিন সিটির রূপান্তরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন সুন্দর ও সুস্থভাবে বেঁচে থাকা এবং নতুন প্রজন্মের বেড়ে উঠার জন্য সুন্দর পরিবেশ অতীব জরুরী। এজন্য বৃক্ষ রোপন ও সবুজায়ন অন্যতম অবলম্বন। এই প্রসঙ্গে মেয়র বলেন প্রকৃতির মাঝেই মানুষ সযতেœ লালিত পালিত হয়। মানুষের কারনেই প্রকৃতি ক্ষত-বিক্ষত হয়,পরিবেশ দূষিত হয়। প্রকৃতি আমাদের উপর প্রতিশোধ নেয় এবং মানবিক বিপর্যয় ঘটে। জনপদ বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠে। এমন পরিনতির বিষয় মাথায় রেখে চসিক নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ডে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মোড়ে মিডিয়ানে এবং মিডআইল্যান্ডে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন এই সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়নের দেখভাল চসিকের একার নয়। এতে নগরবাসীকেও এগিয়ে আসতে হবে। আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে এই প্রকল্প । এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৪ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা। আরশি নগর প্রতিষ্ঠানটি পাঁচ বছর অন্তর নবায়ন সাপেক্ষে এর রক্ষণাবেক্ষণ করবে। একসময় এই চিল্লা ও মাজার শরীফটি অনুন্নত ছিল। এই মাজারের ভক্ত ও আশেকগন জেয়ারতের সহজ সুযোগ সুবিধা ছিল না। এই সৌন্দর্য বর্ধনের ফলে মাজারের ভক্ত ও আশেকগনের ওজু কালাম,ইবাদত বন্দেগীর করার সুযোগ সৃষ্ঠি হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাজার প্রাঙ্গনে করা হয়েছে আধুনিক আলোকসজ্জা ও সৌন্দর্যকরণ,পরিস্কার পরিচ্ছন্ন,দু”পাশে ইবাদত খানা নির্মাণ,উপরে শেইডকরণ,ওজু পানির ব্যবস্থা,ট্যাংক স্থাপন, চারপাশের দেয়ালে টাইলস, মাজারের দেয়াল গ্রীলদ্বারা ঘেরাও , টয়লেট স্থাপন, দুটি গেইট নির্মাণ, মাজার ও চিল্লার চারপাশে গ্রিল দ্বারা ঘেরাও ও টাইলস , জানাযা খানায় টাইলস, ৪০০০ চারা রোপন, পুরো মাজার চত্বর রং দ্বারা সৌন্দর্য করন এবং কোতোয়ালী মোড় থেকে ফিরিঙ্গী বাজার ব্রিজঘাট পর্যন্ত মিড আইলেন্ডে বৃক্ষ রোপন,টাইলস,লাইট ও ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড অফিসের পাশে একটি যাত্রী ছাউনি ও একটি কুলিং কর্ণার স্থাপন প্রকল্প-১ রয়েছে।


আরোও সংবাদ