জিয়াউর রহমান কলেজের অবরুদ্ধ অধ্যক্ষ উদ্ধার

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর , ২০১৫ সময় ১০:২০ অপরাহ্ণ

পেকুয়া
পেকুয়া প্রতিনিধি
পেকুয়ায় জিয়াউর রহমান উপকুলীয় কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান সাধারণ শিক্ষার্থী ও কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে ওঠলে খবর পেয়ে পেকুয়া থানার ওসি জিয়া মো.মোস্তাফিজ ভুঁইয়ার নেতৃত্বে পুলিশ তাৎক্ষনিক ওই কলেজে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন এবং অবরুদ্ধ অধ্যক্ষকে মুক্ত করেন। ১৫ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।

জানা গেছে, জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজের অধ্যক্ষ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যা বলে তা করে থাকে। বিগত কলেজ উপবৃত্তিতে ছাত্রদলের সকল শিক্ষার্থীর না অর্ন্তভুক্ত করলেও ছাত্রলীগের অনেক শিক্ষার্থীকে বাদ দিয়ে দেন। এনমকি ছাত্রদলের শিক্ষার্থীদের অনৈতিক সুবিধা দিতে সাধারণ অসহায় পরিবারের শিক্ষার্থীদেরও চরম অবহেলা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় টেষ্ট পরিক্ষায় ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীকে টেষ্ট পরীক্ষায় ১/২ নাম্বারের কম দিয়ে ফেল করিয়ে দেয়। কিন্তু ঠিকই ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পাস করিয়ে দেন। একই সাথে অনেক সাধারণ শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য করে কলেজ অধ্যক্ষ। আর এ বিষয় নিয়ে শিক্ষার্থীরা শত কাকুতি-মিনতিতে সায় দেয়নি কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান। বিষয়টি অধ্যক্ষ মেনে নিতে না পেরে উপজেলা ছাত্রদল ও কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের খবর দিয়ে নিয়ে আসে। তাতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে কলেজে প্রবেশ করে অধ্যক্ষকে কার্যালয়ে তালা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং খবর পেয়ে ওসি এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এদিকে খবর পেয়ে পেকুয়ার বেশ কয়েকজন সংবাদকর্মী সংবাদ সংগ্রহের জন্য কলেজে ছুটে যান। তারা বিষয়টি নিয়ে ওই কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমানের সাথে অনেকবার কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি সংবাদকর্মীদের কোন ধরনের কথা না রুমের দরজা বন্ধ করে দেন।

এদিকে কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কলেজ অধ্যক্ষ ও ছাত্রদল নেতাকর্মীরা আবারো হামলার চেষ্টা করলে উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক সালাউদ্দিন মাহমুদ, আমিরুল খোরশেদ, উত্তম কুমারসহ বেশ কয়েকজন নেতৃবৃন্দ ছুটে আসেন। তারা এ বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষ ও ওসির সাথে কথা বললে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে ওঠে।