পেকুয়ার ৫ ইউনিয়নে জাপার একক প্রার্থী

প্রকাশ:| রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি , ২০১৬ সময় ১০:৫৮ অপরাহ্ণ

একক প্রার্থী
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া:
৩১ মার্চ অনুষ্টিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পেকুয়া উপজেলার ৫ ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির ৫জন হেভিওয়েট একক প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। ইতোমধ্যেই ওই ৫ প্রার্থী উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে লড়াই করতে মনোনয়ন ফরমও সংগ্রহ করেছেন। উপজেলার ৫ ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির একক প্রার্থীরা আসন্ন ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করায় বড় দুই দলের প্রার্থীদের জয়-পরাজয়ে বড় ফ্যাক্টর হবে বলে ধারনা করছেন সাধারন ভোটাররা। পেকুয়া উপজেলায় এবারেরই ১ম বার ৫ ইউনিয়নে জাপার একক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পেকুয়া উপজেলা জাতীয় পার্টির নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে, আগামী ৩১ মার্চ পেকুয়া উপজেলার সাত ইউনিয়নে অনুষ্টিতব্য ইউপি নির্বাচনে পেকুয়া সদর থেকে জাপার একক প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, বিশিষ্ট সমাজসেবক বিডিআর জাহাঙ্গীর আলম, মগনামা ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান মো, ইউনুচ চৌধুরী, উজানটিয়া ইউনিয়নে পেকুয়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি দেলোয়ার করিম চৌধুরী, রাজাখালী ইউনিয়নে তরুন জাপা নেতা মোহাম্মদ ইউনুচ সিকদার ও শিলখালী ইউনিয়নে মো. মহিউদ্দিন। তারা অনুষ্টিতব্য নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীর সাথে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, পেকুয়া-চকরিয়া আসন থেকে জাপা নেতা হাজী ইলিয়াছ এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে পেকুয়ায় নতুন করে জাতীয় পার্টির চাঙ্গাভাব বিরাজ করছে। অতীতের তুলনায় পেকুয়া উপজেলায় জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক তৎপরতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সাথে জাপা এমপি ইলিয়াছ পুরো উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মজজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ কারনেই মূলত পেকুয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী, নেতা ও সাধারন লোকজন জাতীয় পার্টির দিকে ঝুঁকে পড়েছেন।

স্থানীয় জাতীয় পার্টির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, পেকুয়া মিয়া পাড়া গ্রামের হাজী ছাবের আহমদের পুত্র ও অব: বিডিআর জাহাঙ্গীর আলম জাতীয় পার্টিতে যোগদান করার পর থেকেই সাধারন মানুষের কাছে জাতীয় পার্টি আস্থা, বিশ্বাস ও উন্নয়নের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিডিআর জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগদান করার পর থেকে কঠোর পরিশ্রম করে দলকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছেন।

পেকুয়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক দিদারুল করিম জানিয়েছেন, তারা ৫ ইউনিয়নের একক প্রার্থী দিয়েছেন। জাতীয় পার্টির ঐতিহ্যের প্রতীক লাঙ্গল নিয়ে তারা আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের সাথে ভোটযুদ্ধ নামছেন। তিনি জানান, তাদের ৫ একক প্রার্থীদের এলাকায় আলাদা ইমেজ ও ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই পেকুয়া উপজেলার সাত ইউনিয়নে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিএনপি একক প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। তবে পেকুয়া উপজেলায় জামায়াতের কোন ধরনের একক প্রার্থীর সন্ধান এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। কিন্তু মগনামা ও বারবাকিয়া ইউনিয়নে ‘অভিনব’ কৌশলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন জামায়াতের দুই প্রার্থী। এরা হলেন, মগনামায় শহিদুল মোস্তফা চৌধুরী ও বারবাকিয়ায় মৌলনা বদিউল আলম।