পেকুয়ার ভোলা খালের ঝুঁকিপূর্ণ সাকো দিয়ে পারাপার!

প্রকাশ:| শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর , ২০১৪ সময় ০৯:১০ অপরাহ্ণ

কক্সবাজার ব্যুরো, নিউজচটিাগাং২৪.কম:
কক্সবাজারের পেকুয়ার ভোলা খালের উপরে ২০ বছর আগে নির্মিত সাকোটি ঝরাজীর্ণ হয়ে গেছে। এরপরও মগনামা ও বারবাকিয়া ইউনিয়নের পাঁচ হাজারের অধিক লোক জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে নিরুপায় হয়ে। নিত্যদিন শিশু, মহিলা ও রোগী পারাপার করতে গিয়ে সমস্যার মুখোমূখি হলেও এ সাকোটি সংস্কার বা পূণ:নির্মাণের কোন পদক্ষেপ কেউ নেইনি। জোয়ার ভাটার এ খালটি বঙ্গোপসাগরের অতি নিকটবর্তী প্রধান যোগাযোগ উৎস খাল হওয়ায় এখালের স্রোতে বাঁশের সাকো ঠেকসইও থাকেনা।

পেকুয়ার ভোলা খালের ঝুঁকিপূর্ণ সাকো দিয়ে পারাপার!জানা যায়, প্রতিবছরই এ সাকোটি স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় কোনরকম সংস্কার করা হয়ে থাকে বলে এলাকাবাসী জানালেও পথচারীদের অভিযোগ এ সাকোটি কোন মতেই শিশু ও মহিলাদের চলাচল উপযোগী না। এরপরও এসব গ্রামের লোকজনের চলাচলের একমাত্র ভরসা এ সাকো। পেকুয়ার আনাচে কানাচে অসংখ্য ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণ হলেও একটি গুরুত্ব প্রবাহিত খালে এখনো বাঁশের সাকোর স্থলে একটি পাকা ব্রিজ নিমার্ণ একদিন না একদিন হবে এমন আশায় দুকূলের গ্রামবাসীরা আশায় প্রহর গুনছেন। এসব গ্রাম থেকে শিার্থীরা অনেক কষ্ট করে ঝুকির মধ্যে দণি মগনামা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মগনামা শাহ রশিদিয়া আলিম মাদ্রাসা, পেকুয়া জি.এম.সি.ইনষ্টিটিউশন, পেকুয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, পেকুয়া ২টি কলেজ সহ গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যালয়ে এসে পড়ালেখা করে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: সরওয়ার উদ্দিন জানান, খালটির দুরত্ব বেশি ও বাঁশের দাম বেশী হওয়ায় সাকো তৈরিতে অনেক খরচ হয়। আগের মতো এখন বাঁশও পর্যাপ্ত মিলেনা। এরপরও তালি-জোড়া দিয়ে নির্মাণ করতে হয় এসাকোটি।

সরেজমিনে গিয়ে পারাপারকারী ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলে জান গেছে, এ সাকোটি দিয়ে দৈনিক ৫ শতাধিক ছাত্রছাত্রীরাও যাতায়ত করে থাকে। বর্ষাকালে এ সাকো দিয়ে শিশু ও মহিলারা অন্যের সাহায্য ছাড়া পারাপার হতেই পারেনা বলে অভিযোগ করে পথচারী মহিলা নিলুফা। এ অঞ্চলের লোকজনকে অতিকষ্ট ও ঝুকি থেকে মুক্তি দিতে শীঘ্রই একটি মান সম্মত ব্রীজ নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু জানান, ভোলা খালে ব্রীজ নিমার্ণের জন্য বেশ কয়েকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে কাছে পত্র প্রেরণ করেও কোন কাজই হয়নি।