পেকুয়ার ফুলতলা-কাজী মার্কেট সড়কে লবণ ও মালবাহী ট্রাক থামিয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজী

প্রকাশ:| রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর , ২০১৪ সময় ১১:০৫ অপরাহ্ণ

পেকুয়া সংবাদদাতা
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ফুলতলা-কাজী মার্কেট সড়কের মুহুরী পাড়া বাজার পয়েন্টে লবণবাহী ও মালবাহী ট্রাক থামিয়ে স্থানীয় একটি সংঘবদ্ধ চক্র অব্যাহতভাবে চাঁদাবাজী চালিয়ে যাচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা চেয়ারম্যান ও মগনামা ইউপি চেয়ারম্যানের নামে এ লবণবাহী ট্রাকের ড্রাইভার ও মালবাহী গাড়ী থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও ওই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়তই লবণবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ফলে যানবাহন চলাচল ও স্থানীয়দের যাতায়াতে মারাতœক দূর্ভোগ পোহাচ্ছে।

মগনামা ফুলতলা-কাজী মার্কেট সড়ক দিয়ে লবণ পরিবহনে নিয়োজিত কয়েকজন ট্রাক চালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এ সড়ক দিয়ে ট্রাক ঢুকালেই মুহুরী পাড়া বাজারে অবস্থানকারী রবিউলকে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে ট্রাক আটকে রেখে নানাভাবে হয়রানী করা হয়। ট্রাক চালকরা অবিলম্বে ওই সড়কে চাঁদাবাজী বন্ধের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন।

মগনামা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো: রুকন উদ্দিন স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন, মগনামা ফুলতলা-কাজী মার্কেট সড়ক সংস্কারের নামে মুহুরী পাড়া বাজার এলাকায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অবস্থান করে প্রতিদিন ওই ইউনিয়নের মগঘোনা গ্রামের মৃত উকিল আহমদের পুত্র রবিউল ট্রাকপ্রতি ২০০-৩০০টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছেন। তার দাবীকৃত চাঁদা না দিলে লবণবাহী ট্রাক ড্রাইভারদের হয়রানী করা হয়। যুবলীগ নেতা রোকন উদ্দিন আরো অভিযোগ করে বলেন, চাঁদাবাজ রবিউল গত কয়েক মাস ধরে উপজেলা চেয়ারম্যান ও মগনামা ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজী চালিয়ে গেলেও প্রশাসন তার বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছেনা।

অভিযোগের ব্যাপারে রবিউলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অনেক টাকা খরচ করে সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। টাকাগুলো উঠাতেই ট্রাক থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান ও মগনামা ইউপি চেয়ারম্যানের লিখিত আদেশের ভিত্তিতে লবণবাহী ট্রাক থেকে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে আর কথা বলতে রাজি হননি।

তবে পেকুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু ও মগনামা ইউপি চেয়ারম্যা শহীদুল মোস্তাফা চৌধুরী জানিয়েছেন, সড়কে লবণবাহী ট্রাক থেকে চাঁদা উঠানো জন্য কাউকে লিখিত আদেশ দেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে তারা ব্যবন্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।