পেকুয়ার অপহৃত স্কুল ছাত্রী ২৩দিনেও উদ্ধার হয়নি

প্রকাশ:| বুধবার, ১৮ জানুয়ারি , ২০১৭ সময় ০৯:৪৮ অপরাহ্ণ

পেকুয়ার স্কুল পড়–য়া নবম শ্রেণীর ছাত্রী অপহৃত হওয়ার ২৩দিন পরও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। সে পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীতে উত্তীর্ন ছাত্রী। অপহৃত স্কুল ছাত্রী নাসরিন সোলতানা লিলি (১৫) পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাজার পাড়া এলাকার এবং পেকুয়া বাজারের ক্ষুদ্র কাঠ ব্যাবসায়ী আবু ছালেকের মেয়ে। এব্যাপারে অপহৃত স্কুল ছাত্রীর পিতা আবু ছালেক বাদী হয়ে একই ইউনিয়নের কালার পাড়া এলাকার মোস্তাক আহমদের ছেলে শাকের উল্লাহ(২১)কে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। গত ৩০ডিসেম্বর পেকুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধিত ২০০৩এর ৭/৩০ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়। যার মামলা নং ১৫/১৬ইং। দায়েরকৃত এজাহার সুত্রে জানা যায়, বিগত কয়েক বছর পূর্ব থেকে শাকের উল্লাহ নামের বখাটে লিলিকে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার সময় প্রতিনিয়িত ইভটিজিং এর মাধ্যমে পথরোধ করে অপহরণ করার চেষ্টা করত। এরই মধ্যে গত এক বছর পূর্বে নাসরিন সোলতানা লিলি নানার বাড়ি হইতে বেড়াতে যাওয়ার পথে সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা সাঁকোর পাড় ষ্টেশনে লিলিকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় লিলির শৌর চিৎকারে স্থানীয় জনসাধারণ এগিয়ে এসে হাতেনাতে শাকের উল্লাহকে আটক করে। পরে তাকে শিলখালী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হোছাইন বরাবরে হস্তান্তর করেন। পরে অভিযুক্ত বখাটে শাকের উল্লাহর পিতা-মাতার মধ্যস্থতায় ননজুডিসিয়াল ষ্ট্যাম্পে অঙ্গীকার মূলে শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ছাত্রীর পিতা আবু ছালেক জানান, গত ২৭ডিসেম্বর সকাল ৯টার সময় নাসরিন সোলতানা লিলি আমার নিজ বাড়ী হইতে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল দেখতে পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে পেকুয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রসার সামনে পৌছায়। এসময় পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা শাকের উল্লাহসহ অজ্ঞাত ২/৩জন বখাটে আমার মেয়ে কে উঠিয়ে নিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজির পরও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে আমি পেকুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করি। মামলার সুত্র ধরে পুলিশ বিভিন্ন জায়গা অভিযান চালিয়েছিল। এছাড়া তিনি আরও জানান, বেশ কিছু দিনধরে অজ্ঞাত স্থান থেকে বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে ০১৮৭৬-৭৩১৭৩২, ০১৮৮১২৩২৪৪৮ ও ০১৮৮১৫৯৭৬৫৯ নং থেকে কল করে প্রতিনিয়ত আমার কাছ থেকে মুক্তিপন দাবী করে আসছে। বিষয়টি মামলার তদন্তকারী এসআই রাজ্জাককে অভিহিত করা হয়েছে। এদিকে লিলি অপহৃত হওয়ার পরথেকে অসহায় দরিদ্র পরেবারে চলছে অজানা উৎকন্ঠা।