পুলিশ কনেস্টেবল হত্যার কারণ ও হত্যাকারীকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ

প্রকাশ:| রবিবার, ৩ নভেম্বর , ২০১৩ সময় ১১:১৩ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নওশের আলী খানের বাসভবনে দায়িত্ব পালন শেষে ছিনতাই প্রতিরোধ করতে গিয়ে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে পুলিশ কনেস্টেবল হত্যার কারণ ও হত্যাকারীকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে এঘটনার সঙ্গে জড়িত দু’জনকে আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আটককৃতরা হলেন- জুয়েল (২০) ও ইউসুফ (২১)।

সিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পরপরই ওই এলাকা থেকে দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার কারণ ও হত্যাকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু বলা যাবে না। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’

এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর টাইগার পাস এলাকায় ছিনতাই প্রতিরোধ করতে গিয়ে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হন কনেস্টেবল কাইয়ূম। এ ঘটনায় আহত হন আরো তিন পুলিশ সদস্য। এরা হলেন- সাহাবুদ্দীন (২৮), আরিফুল ইসলাম (২৫) ও সালাউদ্দিন (২৮)।

পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, টাইগার পাসের জিলাপীর পাহাড়ের নিচ থেকেই ঘটনার পর পর জুয়েল ও ইউসুফকে আটক করা হয়েছে।

তাদের দুপুরে একদফা এবং সন্ধ্যায় ফের নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (পাঁচলাইশ) আব্দুর রউফ জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তবে তদন্ত অব্যাহত আছে জানিয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা কোনো কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ছিনতাই কাজে বাধা দেয়ার কারণে এবং পুলিশ সদস্যদের না চেনার কারণে খুন করা হয়েছে। এরপর বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।

খুলশী থানার উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান বাংলামেইলকে জানান, ডিআইজির বাসায় ডিউটি শেষ করে চার পুলিশ সদস্য সাদা পোশাকে টাইগার পাস মোড়ের দিকে আসছিলেন। এসময় তারা জিলাপীর পাহাড়ের নিচে একটি সিএনজি অটোরিকশার যাত্রীদের ছিনতাইকারী কবলে পড়তে দেখেন। এসময় পুলিশ ওই যাত্রীদের উদ্ধার করতে গেলে ছিনতাইকারীরা চার পুলিশ সদস্যকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। এরমধ্যে ঘটনাস্থলেই কাইয়ূম মারা যান। বাকিদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ বলেন, ‘পুলিশ সদস্যদের সাদা পোশাকে ও নিরস্ত্র পেয়ে ছিনতাইকারীরা এঘটনা ঘটানোর সুযোগ পেয়েছে। ঘটনাটি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।’