পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে হত্যা মামলায় জোর পূর্বক আসামী করার অভিযোগ

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| রবিবার, ২৬ আগস্ট , ২০১৮ সময় ০৬:০৬ অপরাহ্ণ

পতেঙ্গা থানা পুলিশ নিজেদের দোষ,চাকুরী, এবং অপরাধ ডাকতে অন্য থানা/ওয়ার্ডবাসী কে ধরিয়ে দিয়ে প্রকৃত হত্যা কান্ডের সত্যতা আড়াল করতে চেয়েছেন বলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে নির্যাতিত পরিবার বর্গের সদস্যরা গুরুতর অভিযোগ করেন। ২৬ আগষ্ট রোববার বিকেল ৩টায় ইপিজেড থানাস্থ নির্যাতিত পরিবারের পক্ষে মুকবুল হোসেন সওঃ,কামাল হোসেন, মোছামৎ জেসমিন বেগম, জাহানারা বেগম সহ আরো অনেক প্রতিবেশী আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনা সূত্র তারা জানান যে:গত ১৬/০৬/২০১৮ইং তারিখে নগরীর ইপিজেড থানাস্থ মহাজন টাওয়ার সংলগ্ন জনৈক সাজু মহাজনের ভাড়াটিয়া নিকটস্থ পতেঙ্গা থানায় অজ্ঞাত নামা ২জন কে আসামী কে এজাহার দাখিলকরে রিপন মিত্র নামের এক যুবক । তিনি এজাহারে জানান,তার স্ত্রী চম্পা মিত্র’র সাথে ১৬/০৬/২০১৮ইং তারিখে বিকলে ৫-৬টার মধ্যে বাসায় হঠাৎ হামলা করে কেউ বা কারা তাদের শিশু কন্যা নিঝুম(০৯ মাস) ঝাপঠে ধরে ছুড়ে পেলে বালতির পানিতে ডুবিয়ে মেরে ফেলে।
এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে কুচক্রি পুলিশ, তাদের দোষর সোর্স ঘটনার এক/দেড় মাস পরে সাজ্জাদ,সাইফুল ও হাবিবকে ধরে নিয়ে গেলে বাদীর স্ত্রী চম্পা মিত্র’র উল্লেখিত সাজ্জাদ,সাইফুল ও হাবিব কিংবা( তাদের সঙ্গী সাথি বা পরিচতি কেউ ঐ ঘটনার সাথে জড়িত নহে বা বাদীর স্ত্রী চম্পা মিত্র আসামী সনাক্ত করতে না পারাই স্থানীয় কয়েজন নেতার জিম্মায় ধৃত সন্দেহ ভাজন সাজ্জাদ,সাইফুল ও হাবিব পুলিশ ছেড়ে দেন।
ঘটনার ১৫/২০ দিন পরে পুলিশ আবারো সাদা পোষাকে ইপিজেড থানা কে অবগত না করে এবং কোন জনপ্রতিনিধির কথা তোয়াক্কা না করে অভিযানের নামে সন্দেহ ভাজন সাজ্জাদ,সাইফুল এবং দুদিন পরে আলী আজগর রুবেলও হাবিব কে ৩৯নংয়ার্ডস্থ বিভিন্ন সস্মানিত লোকদের ভাড়াঘরের গ্রিল,দরজা,সীমানা দেয়াল ভেঙ্গে সবার সামনে চরম নির্যাতন করতে করতে পতেঙ্গা থানায় নিয়ে যাই।
এসময় ওসি আবুল কাশেম ভুইয়া, দোষর সোর্স রিয়াজ,সাদেক এর ইশরায় অত্যন্ত গোপনীয় ভাবে অভিনব কায়দায় ৪দিন যাবত তীব্র কষ্ট-যন্ত্র এবং ক্রসফায়ার ভীতি, পিস্তল টেকিয়ে সাজ্জাদ,সাইফুল ,রুবেল কে বিদ্যুতের শর্ট দিয়ে,গরম জ্বল ঢেলে নির্যাতন করেছে এস.আই আব্দুলমোমিন, মোঃ নবী,মীর হোসেন, এস আই(ফোন-আইটি) মনির হোসেন গংরা।