পুন:নির্বাচন চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন ভারপ্রাপ্ত মেয়র

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২৬ মে , ২০১৫ সময় ০৯:০৪ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র মোহাম্মদ হোসেন ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে নির্বাচন বাতিল ও পুন:নির্বাচনের আবেদন জানিয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মঙ্গলবার চসিক নির্বাচন সংক্রান্ত গঠিত নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রাম দ্বিতীয় যুগ্ম জেলা জজ বাহা উদ্দিনের আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন।

আদালত মামলাটি গ্রহণ করলেও আগামী রোববার পর্যন্ত আদেশের জন্য অপেক্ষামান রেখেছেন। মামলায় মোহাম্মদ হোসেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিজয়ী প্রার্থী ও মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন অনুসারী আবুল হাশেমকে বিবাদি করেছেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট পূর্ণেন্দু বিকাশ চৌধুরী বলেন, ‘২৮ এপ্রিল উত্তর হালিশহরের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় বহিরাগতরা ঢুকে জালভোট দেয়া, ভোট প্রদানে বাধা, এজেন্ট বের করে দেয়া ও প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী হলফনামায় তথ্য গোপন করেছেন মর্মে আমরা এজাহারে উল্লেখ করেছি। সেই সাথে নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুন:নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে রোববার পর্যন্ত স্থগিত করেছেন।’

নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী অনুসারী আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হোসেন নগরীর ২৬ নম্বর উত্তর হালিশহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। সেই সাথে মনজুরুল আলমের পরিষদের এক নম্বর প্যানেল মেয়র থাকার সুবাধে গত ২৭ মার্চ মনজুর আলমের পদত্যাগের পর থেকে তিনি ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২৮ এপ্রিল নির্বাচনে পরাজিত হলেও আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত তিনিই ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্বে বহাল থাকবেন।

এরআগে গতকাল সোমবার একই অভিযোগে আরো তিন পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেছিলেন। তারা হলেন-১ নম্বর সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী ফেরদৌসি বেগম মুন্নী, ৩৬ নম্বর গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীর আলম ও ২২ নম্বর এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের আব্দুল মালেক । তারা তিনজনই সদ্য সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন। এদের মধ্যে প্রথম দু’জন আওয়ামী লীগ দলীয় এবং মালেক বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন।

সিটি নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বা ব্যক্তিকে মামলা করতে হবে। ট্রাইব্যুনাল মামলা হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে অভিযোগ চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করবেন।

ওই প্রার্থী ট্রাইব্যুনালের রায়ে সন্তুষ্ট না হলে আপিল ট্রাইব্যুনালেও আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিল আবেদনের ১৮০ দিনের মধ্যে চূড়ান্তভাবে মামলা নিষ্পত্তি করবেন।


আরোও সংবাদ