পুকুরে ডুবে ৪ শিশুর ও পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২জনের মৃত্যু

প্রকাশ:| বুধবার, ৭ আগস্ট , ২০১৩ সময় ১০:০৭ অপরাহ্ণ

ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পৃথক পৃথকভাবে ২ স্কুল ছাত্র সহ ৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঈদের আগে এই মর্মান্তিক ঘটনায় ওইসব এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতরা হলেন ফটিকছড়ি পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবুল হাসেমের পুত্র ধুরুং কে এম টেক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্র আবদুল আল সাকি (১১), একই বাড়ির নুরুল আলমের পুত্র একই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র রবিউল হোসেন তামিম (৯), দৌলতপুর ইউনিয়নের বাবু নগর গ্রামের জনৈক খোরশেদুল আলমের মেয়ে তাফসি আক্তার (২) এবং হাটহাজারী উপজেলার পূর্ব ধলই গ্রামের জনৈক মুছার পুত্র হোসাইন (২)।

ফটিকছড়ির পৌর মেয়র ইসমাইল হোসেন এবং স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে চার শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বেলা ১২টার দিকে ফটিকছড়ির পৌর সদরে অবস্থিত গ্রামের বাড়ির পুকুরে গোসল করতে নামে বন্ধুসহ আবদুল আল সাকি ও রবিউল। দু’জন পানিতে ডুব দিয়ে ভেসে না ওঠায় তাদের সঙ্গে থাকা অপর বন্ধু চিৎকার শুরু করে।

তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দু’জনকে পুকুর থেকে মুমুর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের মৃত্যুত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের বাবু নগর গ্রামের জনৈক খোরশেদুল আলমের মেয়ে তাসফি আক্তার (২) এবং হাটহাজারী উপজেলার পূর্ব ধলই গ্রামের জনৈক মুছার পুত্র হোসাইন (২) পুকুরে পানিতে ডুবে প্রাণ হারায়।

বুধবার বিকেলে নিহতদের নামাজের জানাযা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।

ঈদের আগমুহূর্তে এই প্রাণহানির ঘটনায় এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

নগরীর কোতোয়ালি থানার বিআরটিসি মোড় এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মো. ফজলুল করিম (৬০) নামে রেলওয়ের এক কর্মচারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ঘাতক বাসের চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রাস্তা পার হওয়ার সময় ফজলুল করিমকে যাত্রীবাহী বাসটি পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক বাস ও এর চালককে আটক করা হয়েছে।বুধবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় চালককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) সড়ক দুর্ঘটনায় পোশাক কারখানা ইয়ং ওয়ানের এক নারী শ্রমিক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আরও দু’জন আহত হয়েছেন।

বুধবার সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

নগরীর ইপিজেড থানার ওসি আবুল মনছুর সড়ক দুর্ঘটনায় নারী শ্রমিক নিহতের বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে তার পরিচয় সংক্রান্ত বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইপিজেডের ৭ নম্বর সেক্টরে সি-টেক্স নামে একটি কারখানার সামনে পোশাক কারখানার কর্মীদের বহনকারী একটি সিএনজি অটোরিক্সাকে দ্রুতগামী একটি বাস পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিক্সাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।