পিঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ১৯ লাখ ১৪ হাজার টন

প্রকাশ:| শনিবার, ২৯ জুন , ২০১৩ সময় ১১:৩০ অপরাহ্ণ

নতুন পিঁয়াজ উঠার দু’মাস পার হতে না হতেই বাজারে উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। সামনে রমজান মাস। তাই পিঁয়াজের দাম onion4তরতর করে বেড়ে চলায় ভোক্তারা শংকিত হয়ে পড়েছে। পিঁয়াজ একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় মশলা। প্রতিটি তরকারি রান্না করতে পিঁয়াজ লাগে।

দেশে পিঁয়াজের চাহিদা কত তা সঠিকভাবে জানা যায় না। কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন সূত্রে জানা যায়, আমাদের দেশে পিঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা ২৭ থেকে ২৮ লাখ টন। ওই সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে (২০১২-২০১৩) এক লাখ ৮৫ হাজার হেক্টরে পিঁয়াজ চাষের মাধ্যমে ১৯ লাখ ৬১ হাজার টন পিঁয়াজ উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়। তদস্থলে এক লাখ ৮১ হাজার হেক্টরে পিঁয়াজ চাষ হয়েছে। আর পিঁয়াজ উত্পাদন হয়েছে ১৯ লাখ ১৪ হাজার টন। ওই হিসাব অনুযায়ী ঘাটতি প্রায় ৯ লাখ টন। তবে এ সময় পিঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কথা নয়। কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যে জানা যায়, গত মৌসুমে(২০১১-২০১২) পিঁয়াজ চাষ হয়েছিল এক লাখ ৮০ হাজার হেক্টরে। পিঁয়াজ উত্পাদন হয় ১৮ লাখ ৯৯ হাজার টন। গত বছর এ সময় প্রধান প্রধান পিঁয়াজ উত্পাদনকারী জেলাগুলোতে প্রতি মণ (৪০ কেজি) পিঁয়াজের দাম ছিল ৭শ’ টাকা থেকে ৮শ’ টাকা। ২০১০-২০১১ মৌসুমে দেশে পিঁয়াজ চাষ হয়েছিল এক লাখ ৭৭ হাজার হেক্টরে। পিঁয়াজ উত্পাদন হয়েছিল ১৫ লাখ ৯১ হাজার টন। ২০০৯-২০১০ মৌসুমে পিঁয়াজ চাষ হয়েছিল এক লাখ ৬০ হাজার হেক্টরে। এ বছর পিঁয়াজ উত্পাদন হয়েছিল ১৪ লাখ ৪০ হাজার টন।২০০৮-২০০৯ মৌসুমে পিঁয়াজ চাষ হয়েছিল এক লাখ ২২ হাজার হেক্টরে। পিঁয়াজ উত্পাদনের পরিমাণ ছিল ৮ লাখ ৪৯ হাজার টন। তার আগের বছর (২০০৭-২০০৮) পিঁয়াজ চাষ হয়েছিল এক লাখ ৫৮ হাজার হেক্টরে। পিঁয়াজের উত্পাদন হয়েছিল ১৪ লাখ ১২ হাজার টন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিগত ৬ বছরের মধ্যে এবছরই পিঁয়াজের উত্পাদন বেশি হয়েছে। কিন্তু এত আগে ভাগে দামচড়ে গেছে। সাধারণত বছরের শেষে পিঁয়াজের দাম চড়ে থাকে। আগামীতে আরো দাম বাড়ার আশংকা করছে পিঁয়াজের মোকামগুলোর আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা।

দেশে উত্পাদিত পিঁয়াজে চাহিদা মিটে না। ভারত থেকে পিঁয়াজ আমদানির মাধ্যমে ঘাটতি পূরণ করা হয়ে থাকে। একজন আমদানিকারক বলেন, ভারতে পিঁয়াজের দাম চড়ে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারে


আরোও সংবাদ