পার্বত্যবাসীদের সৌহার্দ্যের কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর , ২০১৭ সময় ১০:৩৫ অপরাহ্ণ

শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরে পার্বত্য অঞ্চলে সংঘাত নিরসন ও সেখানকার উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানকার বাসিন্দাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করার কথা বলেছেন।

শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের দুই দশক পূর্তিতে পার্বত্যাঞ্চলের অধিবাসীদের অভিনন্দন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যারাই ওখানে বসবাস করছেন, সবাইকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। সুন্দরভাবে; সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন, যেন আমরা সার্বিক উন্নতি করতে পারি। যে কোনো উন্নয়নের পূর্বশর্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণভবনে পার্বত্য শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের ২০তম বার্ষিকী পালন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতা করছিলেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কেন্দ্রীয়ভাবে রাঙ্গামাটি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানসহ বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

পার্বত্য শান্তি চুক্তির সুফলের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, চুক্তির পর পার্বত্য এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় আছে বলে সেখানে উন্নয়নের ছোঁয়াও লেগেছে। সরকার উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালাতে পারছে। রাস্তাঘাট গড়ে উঠেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুষম উন্নয়নের অংশীদার হয়েছে পার্বত্য জনপদের বাসিন্দারা। এখানকার মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে।

সুষম উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য এলাকাসহ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তির সিংহভাগই বাস্তবায়ন হয়েছে। বিশ্বের আর কোথাও এতো দ্রুত এভাবে চুক্তি বাস্তবায়ন হয়েছে কি-না, আমার জানা নেই। চুক্তির ৭২ শর্তের মধ্যে ৪৮টিই বাস্তবায়ন হয়ে গেছে। ১৫টি আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে। ১৪টির বাস্তবায়ন চলমান। চুক্তির সবচেয়ে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি—ভূমি বিরোধ, সেই জটিলতাও শিগগির সমাধান হবে।

ভূমি বিরোধ নিরসনে আঞ্চলিক পরিষদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে পার্বত্যাঞ্চলের বাসিন্দাসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

চুক্তি আরও দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব ছিল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তারা চুক্তি বাস্তবায়নে আন্তরিক ছিলো