পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে আনোয়ারায় ১৪ হাজার মানুষ

প্রকাশ:| রবিবার, ২২ মে , ২০১৬ সময় ১১:৫৫ অপরাহ্ণ

ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে জ্বলোচ্ছাসে আনোয়ারা উপজেলার উপকূলীয় ২ ইউনিয়ন পানিতে তলিয়ে গেছে। ২ হাজার ঘর বাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে প্রায় ৪০ হাজার লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জলোচ্ছ্বাসের পানি ভাটার টানে কমলেও এখনও ভাসছে রায়পুর, জুইদন্ডি, বারশতের বিস্তীর্ণ এলাকা।

আনোয়ারা গহিরা এলাকার বর্তমান দৃশ্যউপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আনোয়ারায় ১৪ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করায় অনেকে বাড়ি ঘড়ে ফিরে যেতে পারছেনা। আবার অনেকে নিজ নিজ বাড়ি ঘড়ে আটকা পড়েছে। গ্রামের পর গ্রামজুড়ে অন্তত ছোটবড় ১০ হাজার গাছ ভেঙে পড়েছে। অন্তত ৩ হাজার ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। জ্বলোচ্ছ্বাস ও তীব্রগতির ঝড়ো হাওয়ায় গ্রামের পর লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যারা আশ্রয় কেন্দ্রে এসেছেন তাদের খাবার দেয়া হচ্ছে। শুকনো খাওয়ার বিতরণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আরো সাহায়্যের ব্যবস্থা করা হবে।’

জুইদন্ডি ইউনিযনের চেয়ারম্যান মোরশেদুল আলম চৌধুরী খোকা বলেন, ‘ঝড়ের ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। বেড়িবাঁধের উপর দিয়ে সাগরের পানি ঢুকছে। শনিবার সকালে ১০ ফুট জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে অনেক বাড়িঘর। ভাটায় পানি কমলেও বেড়িবাঁধের ভাঙনের কারণে আতংক বিরাজ করছে। কারণ জোয়ার ও পূর্ণিমার জোর কারণে মধ্যরাতের জোয়ারে আবারও বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ার আশংকা করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলোর জন্য শুকনো খাবার খুব বেশি প্রয়োজন।’