পাখি কলোনী

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই , ২০১৭ সময় ০৪:০০ অপরাহ্ণ

নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার আলীদেওনা গ্রামের পাখি কলোনী এখন হাজারো মানুষের বিনোদনের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শক পাখি দেখতে এই গ্রামে ভিড় করছেন। দর্শনার্থীরা পাখি সংরক্ষণে গ্রামবাসীদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন।

নওগাঁ-পোরশা সড়কের মহাদেবপুর উপজেলার ছাইতুনতলী হাট থেকে পাঁচ কিলোমিটার পশ্চিম দিকে নিভৃত পল্লী আলীদেওনা গ্রাম। বাংলাদেশের আর দশটি গ্রামের মতই সবুজ গাছ গাছালীতে ভরা আলীদেওনা গ্রামটিও। পার্থক্য এই গ্রামের বাঁশঝাড়, আমগাছ, বটগাছ, কাঁঠাল গাছ, কদম কিংবা শিমুল গাছ এমনকি বড়ইগাছ পর্যন্ত পাখির আবাসস্থল।

বিভিন্ন প্রকারের বক, শামুকখোল, বালিহাঁস ইত্যাদি পাখিতে ভরপুর। গ্রামে ঢুকলেই পাখির কিচিরমিচির আর কলকাকলীতে মন ভরে উঠে। সকালে আহারের খোঁজে দূর দূরান্তের বিভিন্ন জলাশয়ে বেড়িয়ে যাওয়া আর বিকেল হলেই ফিরে আসা। এটি যেন পাখিদের নিত্যদিনের রুটিন। বিকেল ৫টার পর থেকেই দলে দলে পাখিরা ফিরে আসতে থাকে। দলে দলে পাখিদের ফিরে আসার এই দৃশ্যপট নীল আকাশকে করে তোলে অভাবনীয় সৌন্দর্যমণ্ডিত।

গাছে গাছে অবস্থান নিয়ে তাদের ভাষায় একে অপরের সাথে গল্প আর অভিজ্ঞতা বিনিময়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বহুদিন থেকে এই গ্রামে পাখিদের বসবাস বলে জানালেন প্রবীন গ্রামবাসী নীরেন্দ্রনাথ।

এই পাখি কলোনীর কথা জানতে পেরে দূরের ও কাছের গ্রামগুলো থেকে এমনকি নওগাঁ শহর থেকেও হাজার হাজার নারী পুরুষ, শিশু কিশোর বিভিন্ন বয়সের বিভিন্ন পেশার মানুষ আলীদেওনা’র পাখি কলোনীর এই অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে বিকেল হলেই ছুটে আসেন।

এই পাখি কলোনীকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবকরা পাখি সংরক্ষণে নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন একটি সামাজিক সংগঠন ‘প্রাণ ও প্রকৃতি’। তারা এই কলোনীর পাখি সংরক্ষণে যাবতীয় তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন, সেই সাথে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছেন। পাখি কলোনীর ব্যপক প্রচারের লক্ষ্যে এই ঈদের পরদিন আয়োজন করা হয়েছিল একটি মেলারও।

বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার বিভিন্ন বয়সের নারীপুরুষ, যুবকযুবতী, শিশু কিশোর দর্শক ভিড় করেছিলেন। দলবদ্ধ হয়ে গাছে গাছে বাগানে বাগানে ঘুরে ঘুরে পাখি দেখেছেন। উপভোগ করেছেন অপরা সৌন্দর্য।

প্রাণ ও প্রকৃতি সংগঠনের উদ্যোক্তা কাজী নাজমুল ইসলাম ও মাসুদ রানা আলীদেওনা গ্রামের এই পাখি কলোনীকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাখি কলোনী বলে উল্লেখ করে বলেছেন এটিকে টিকিয়ে রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই এর পারিপার্শ্বিকতা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিশেষ করে ছাইতুন তলী থেকে আলীদেওনা গ্রাম পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়ক পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন।

প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক নওগাঁ সরকারী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শরিফুল ইসলাম খান বলেন, পাখি প্রকৃতির বড় দান। প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখি সংরক্ষণ অত্যাবশ্যকীয়। তাই আলীদেওনা গ্রামে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা পাখি কলোনীর সুরক্ষা প্রয়োজন।
নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার আলীদেওনা গ্রামের পাখি কলোনী এখন হাজারো মানুষের বিনোদনের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শক পাখি দেখতে এই গ্রামে ভিড় করছেন। দর্শনার্থীরা পাখি সংরক্ষণে গ্রামবাসীদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন। নওগাঁ-পোরশা সড়কের মহাদেবপুর উপজেলার ছাইতুনতলী হাট থেকে পাঁচ কিলোমিটার পশ্চিম দিকে নিভৃত পল্লী আলীদেওনা গ্রাম। বাংলাদেশের আর দশটি গ্রামের মতই সবুজ গাছ গাছালীতে ভরা আলীদেওনা গ্রামটিও। পার্থক্য এই গ্রামের বাঁশঝাড়, আমগাছ, বটগাছ, কাঁঠাল গাছ, কদম কিংবা শিমুল গাছ এমনকি বড়ইগাছ পর্যন্ত পাখির আবাসস্থল। বিভিন্ন প্রকারের বক, শামুকখোল, বালিহাঁস ইত্যাদি পাখিতে ভরপুর। গ্রামে ঢুকলেই পাখির কিচিরমিচির আর কলকাকলীতে মন ভরে উঠে। সকালে আহারের খোঁজে দূর দূরান্তের বিভিন্ন জলাশয়ে বেড়িয়ে যাওয়া আর বিকেল হলেই ফিরে আসা। এটি যেন পাখিদের নিত্যদিনের রুটিন। বিকেল ৫টার পর থেকেই দলে দলে পাখিরা ফিরে আসতে থাকে। দলে দলে পাখিদের ফিরে আসার এই দৃশ্যপট নীল আকাশকে করে তোলে অভাবনীয় সৌন্দর্যমণ্ডিত। গাছে গাছে অবস্থান নিয়ে তাদের ভাষায় একে অপরের সাথে গল্প আর অভিজ্ঞতা বিনিময়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বহুদিন থেকে এই গ্রামে পাখিদের বসবাস বলে জানালেন প্রবীন গ্রামবাসী নীরেন্দ্রনাথ। এই পাখি কলোনীর কথা জানতে পেরে দূরের ও কাছের গ্রামগুলো থেকে এমনকি নওগাঁ শহর থেকেও হাজার হাজার নারী পুরুষ, শিশু কিশোর বিভিন্ন বয়সের বিভিন্ন পেশার মানুষ আলীদেওনা’র পাখি কলোনীর এই অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে বিকেল হলেই ছুটে আসেন। এই পাখি কলোনীকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবকরা পাখি সংরক্ষণে নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন একটি সামাজিক সংগঠন ‘প্রাণ ও প্রকৃতি’। তারা এই কলোনীর পাখি সংরক্ষণে যাবতীয় তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন, সেই সাথে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছেন। পাখি কলোনীর ব্যপক প্রচারের লক্ষ্যে এই ঈদের পরদিন আয়োজন করা হয়েছিল একটি মেলারও। বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার বিভিন্ন বয়সের নারীপুরুষ, যুবকযুবতী, শিশু কিশোর দর্শক ভিড় করেছিলেন। দলবদ্ধ হয়ে গাছে গাছে বাগানে বাগানে ঘুরে ঘুরে পাখি দেখেছেন। উপভোগ করেছেন অপরা সৌন্দর্য। প্রাণ ও প্রকৃতি সংগঠনের উদ্যোক্তা কাজী নাজমুল ইসলাম ও মাসুদ রানা আলীদেওনা গ্রামের এই পাখি কলোনীকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাখি কলোনী বলে উল্লেখ করে বলেছেন এটিকে টিকিয়ে রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই এর পারিপার্শ্বিকতা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিশেষ করে ছাইতুন তলী থেকে আলীদেওনা গ্রাম পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়ক পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন। প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক নওগাঁ সরকারী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শরিফুল ইসলাম খান বলেন, পাখি প্রকৃতির বড় দান। প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখি সংরক্ষণ অত্যাবশ্যকীয়। তাই আলীদেওনা গ্রামে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা পাখি কলোনীর সুরক্ষা প্রয়োজন।