পর্যটন শিল্প বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব আয়ের অন্যতম খাত

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১২ জুন , ২০১৫ সময় ১০:৫৭ অপরাহ্ণ

নগরীর পতেঙ্গা বাটার ফ্লাই পার্কে দু’দিন ব্যাপী পর্যটন মেলার
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, পর্যটন শিল্প বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব আয়ের অন্যতম খাত। বাংলাদেশ অফুরন্ত পর্যটন সম্ভাবনার দেশ। এখানে রয়েছে হাজার বছেরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, খাদ্যাভাস, উৎসবাদি, বৈচিত্রপূর্ন জীবনাচার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র দেশী বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষন করে থাকে। পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে দেশী বিদেশী বিনিয়োগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশ গ্রহনের সুযোগ করে দিতে পারলে এই শিল্প থেকে প্রতিবছর প্রচুর রাজস্ব আয় অর্জন করা সম্ভব। ১২জুন ২০১৫খ্রি. শুক্রবার সকালে নগরীর পতেঙ্গা বাটার ফ্লাই পার্কে বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর টুরিজম ডেভলাপমেন্ট (বিএফটিডি) এর উদ্যোগে দু’দিন ব্যাপি পর্যটন মেলার উদ্বোনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন, বন্দর নগরী চট্টগ্রাম হচ্ছে দেশী বিদেশী পর্যটকদের দর্শনীয় স্থান। প্রকৃতি যেন অকৃপন হাতে সাজিয়ে রেখেছে প্রাচ্যের রাণী খ্যাত চট্টগ্রামকে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম হচ্ছে বৃহত্তর চট্টগ্রামের সমস্ত পর্যটনের বাট হিসেবে বিবেচিত। কারণ এখান থেকেই সমুদ্র, পাহাড়, পার্কি বীচ, নিউ পতেংগা, ওয়ার চেমিট্রি, পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন স্পটসমুহ, কাট্টলী সমুদ্র সৈকত, পতেঙ্গায় বাংলাদেশের প্রথম বাটারফ্লাই পার্ক, কৈবল্যধাম, সিতাকুন্ড ইকোপার্ক, চন্দ্রনাথ শিব মন্দির, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার ও সেন্ট মার্টিন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন স্পটসমুহে যেতে হয়। সেই জন্য চট্টগ্রাম পর্যটন শিল্পের বাট হিসেবে সমধিক পরিচিত। পর্যটনের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের এত অবদান থাকা সত্বেও তুলনামূলকভাবে গুরুত্ব পাচ্ছেনা। এব্যাপারে আমাদেরকে চট্টগ্রামের গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। মেয়র বলেন, পর্যটন এখন একটি শিল্প। যা অনেক দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি। উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর টুরিজম ডেভলাপমেন্ট (বিএফটিডি) এর চেয়ারম্যান এইচ এম হাকিম আলী। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ চৌধুরী, বিএফটিডি’র নির্বাহী পরিচালক রেজাউল ইকরাম রাজু। সিটি মেয়র আরো বলেন, সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লিলাভূমি এই চট্টগ্রাম সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে গড়ে তুলতে হবে। তিনি পতেঙ্গা সিবিচকে পর্যটকদের নিরাপদ পরিবেশ তৈরী করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান। মেয়র বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১৬ বর্ষকে পর্যটন বর্ষ হিসেবে ঘোষনা করেছেন, তাই চট্টগ্রামে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে দেশী বিদেশী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহবান জানান এবং অচিরেই পযর্টন শিল্পের উন্নয়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ হতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন শেষে সিটি মেয়র বাটার ফ্লাই পার্কে পরির্দশন করেন এবং মেলার দেশী বিদেশী স্টল গুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন।