পর্যটকদের কাছে টানতে বান্দরবানে ৩ দিনের উৎসব

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৯ আগস্ট , ২০১৪ সময় ০৮:৪৫ অপরাহ্ণ

:: বান্দরবান প্রতিনিধি ::

বান্দরবানে নীলাচল পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী।

বান্দরবানে নীলাচল পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী।

দেশী-বিদেশী পর্যকদের কাছে টানতে বান্দরবানে ৩ দিনের পর্যটন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তুলতে এবং পার্বত্যাঞ্চলের বৈচিত্রময় সংস্কৃতি পর্যটকদের কাছে মেলে ধরতে এই ব্যতিক্রমি উদ্যোগ নিয়েছে পর্যটন মন্ত্রণালয়। পার্বত্য চট্টগ্রামে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমন আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়াও কক্সবাজারে ইটিজেড (এক্সক্লুসিভ টুরিজম জোন) স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার বান্দরবানে জেলা প্রশাসন পরিচালিত নীলাচল পর্যটন কেন্দ্র পরির্দশকালে পর্যটন মন্ত্রনালয়ের সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী স্থানীয় সাংবাকিদের এসব পরিকল্পনার কথা জানান। পরে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী তিনদিনের পর্যটন উৎসব আয়োজন বিষয়ে নীলাচলে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’সহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রস্তুতি মূলক একটি বৈঠকে বসেন।

এসময় অন্যান্যদের বান্দরবান সেনা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রীগেডিয়ার জেনারেল নকিব আহম্মদ, জেলা প্রশাসক কেএম তারিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার দেবদাশ ভট্রাচার্য, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মমিনুর রহমান আমিন, জেলা পরিষদের সদস্য কাজি মুজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানায়, পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেবর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বান্দরবানে পর্যটন উৎসব করা হবে। নীলাচল পর্যটন কেন্দ্র অথবা স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী রাজারমাঠে এই উৎসবের আয়োজন করা হবে।

পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেছেন, পর্যটন শিল্পের আয়ের বেশির ভাগই আসে বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে। একারণে বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পর্যটন মন্ত্রণালয় একাধিক পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। কক্সবাজারের সাবরাং এ ১১৬৫ একর জমিতে ইটিজেড (এক্সক্লুসিভ টুরিজম জোন) গড়ে তোলা হবে। এটি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম। সরকারের পরিকল্পনা ও অর্থ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বিষয়গুলোর সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে ঢাকা চট্টগ্রাম- কক্সবাজার সড়ক চারলেইন করা, চট্টগ্রামের দোহাজারী রেললাইন কক্সবাজার হয়ে ঘুনধুম পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা, মেরিন ড্রাইভ সড়ক’সহ বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। প্রকল্পে পদক্ষেপগুলো সম্পূর্ণ হলে এদেশে বিদেশি পর্যটকদের আগমন আরো বাড়বে। বান্দরবানের পর্যটন শিল্পকে জাতীয় এবং আর্ন্তজাতিকভাবে তুলে ধরতে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ঢাকার সোনারগাঁ হোটেলে ফুড ফেস্টিবল ও বন্দরবানে পর্যটন উৎসব করা হবে। জমকালো এই আয়োজনে বিভিন্ন দেশের রাষ্টদূত ছাড়াও দেশি-বিদেশি পর্যটক ও সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।


আরোও সংবাদ