পরিবর্তন না প্রত্যাবর্তন

প্রকাশ:| শনিবার, ১৫ জুন , ২০১৩ সময় ০৫:২১ পূর্বাহ্ণ

44444444444444444_5255রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে ভোট উৎসব আজ। সব শঙ্কা আর আতঙ্ক ছাপিয়ে ভোটাররা সকাল ৮ থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। পরিবর্তন না প্রত্যাবর্তন ঘটবে তার চূড়ান্ত ফয়সালা হবে আজ। স্থানীয় নির্বাচন হলেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন দেশের প্রধান দুই জোট দলগতভাবে অংশ নিচ্ছে এ নির্বাচনে। ফলে উত্তাপ-উত্তেজনা রয়েছে এ নির্বাচন ঘিরে। ১৮ দলের সমর্থকরা সর্বত্র পরিবর্তনের কথা বলছেন। ১৪ দলের সমর্থকরা বলছেন প্রত্যাবর্তনের কথা। যে যাই বলুক না কেন, জনরায়ই নির্ধারণ করবে কারা হতে যাচ্ছেন এ চার সিটির নগরপিতা। প্রার্থীরাও অপেক্ষায় রয়েছেন। সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচনের ফলাফল জাতীয় রাজনীতির মোড়ও ঘুরিয়ে দিতে পারে। সেজন্য সরকার ও ইসির জন্য এ নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমান কমিশনের অধীনে এটিই হচ্ছে সবচেয়ে বড় নির্বাচন। ভোট গ্রহণে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন। চার সিটি নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও কোস্টগার্ড টহল দিচ্ছে। শঙ্কায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবিতে অনড় প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও তাদের সমর্থিত প্রার্থীরা। সুশীল সমাজও একই দাবি করেছে। তবে ইসি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করতে আগের অবস্থানেই রয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। চার সিটিতেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কোথাও আইনের ব্যত্যয় ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রিটার্নিং অফিসারদেরও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সিইসি বলেন, কমিশন থেকে সার্বক্ষণিক এ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা হবে। আশা করি সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাররা নির্বিঘেœ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন।

ব্যাপক শঙ্কা আর আতঙ্কের মধ্যে চার সিটিতেই সেনা মোতায়েনের দাবি করেছিল প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। তবে তাদের দাবি উড়িয়ে দিয়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিজিবি, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও আনসার মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি ওয়ার্ডে নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা সার্বক্ষণিক মাঠে রয়েছেন।

এদিকে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত কোনো অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার না হওয়ায় অনেকটা আতঙ্কে রয়েছে খোদ ইসি। এ জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি রয়েছে ভোটারদের নানা আশঙ্কা। কেন্দ্রে গিয়ে ঠিকমতো ভোট দিতে পারব তো। এসব বিষয় বারবার মানুষের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে দেশের গুরুত্বপূর্ণ চার সিটি করপোরেশন নির্বাচন সরকার এবং বিরোধী দল উভয়ের জন্য মর্যাদার লড়াই। জয় নিজেদের ঘরে আনার জন্য উভয় দল এখন মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে। অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসীরাও দলের প্রার্থীর জন্য সক্রিয় রয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল নিজেদের অনুকূলে না থাকলে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে গেয়েন্দা সংস্থা ও স্বয়ং ইসি।

চার সিটির মেয়র প্রার্থী ও প্রতীক : চার সিটিতেই মূলত দুই জোটের প্রার্থীদের মধ্যে লড়াই হবে। তবে জোটের বাইরে চার সিটিতেই একজন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। এসব সিটির প্রার্থী হচ্ছেনÑ সদ্যবিদায়ী মেয়র ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন লড়ছেন তালা প্রতীকে, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল লড়ছেন আনারস প্রতীকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান লড়ছেন চশমা প্রতীকে। খুলনায় সদ্যবিদায়ী মেয়র মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক লড়ছেন তালা প্রতীকে, বিএনপির মনিরুজ্জামান মনি আনারস প্রতীকে ও জাতীয় পার্টির (এ) জেলা সভাপতি শফিকুল ইসলাম মধু লড়ছেন দোয়াত কলম প্রতীকে। বরিশালে ১৪ দল সমর্থিত সম্মিলিত নাগরিক কমিটি সমর্থিত ও সদ্যবিদায়ী মেয়র শওকত হোসেন হিরণ লড়ছেন টেলিভিশন প্রতীকে, ১৮ দল সমর্থিত জাতীয়তাবাদী নাগরিক পরিষদের আহসান হাবীব কামাল লড়ছেন আনারস প্রতীকে ও মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন লড়ছেন দোয়াত কলম প্রতীকে। সিলেটে সদ্যবিদায়ী মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরান লড়ছেন আনারস প্রতীকে, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী লড়ছেন টেলিভিশন প্রতীকে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রিমন লড়ছেন তালা প্রতীকে।

ভোটার সংখ্যা ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র : রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের মোট ৬৫২ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৪২৩টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট চার সিটির রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে পরামর্শ করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এসব কেন্দ্র চিহ্নিত করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রে বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে ইসি। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার থাকবে ২৪ জন এবং সাধারণ কেন্দ্রে থাকবে পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের ২২ সদস্য। এছাড়া বিজিবি, র‌্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্সের সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে এসব কেন্দ্রে। সর্বশেষ হালনাগাদ ভোটার তালিকানুযায়ী রাজশাহী সিটিতে ভোটার ২ লাখ ৮৬ হাজার ৯২৭। ওয়ার্ডের সংখ্যা ৩০, ভোট কেন্দ্র ১৩৭, ভোটকক্ষ ৮৭১ এবং অস্থায়ী ভোটকক্ষ আছে ১০৭টি। এ সিটিতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ১০৩টি। খুলনা সিটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৪০ হাজার ৬৪৭ জন। এখানে ভোট কেন্দ্র ২৮৮, স্থায়ী ভোটকক্ষ ১ হাজার ৪২৮ এবং অস্থায়ী ভোটকক্ষ ৩৩টি। এ সিটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ২১৫টি। বরিশাল সিটিতে ভোটার ২ লাখ ১০ হাজার ৫৩০ জন। এ সিটি করপোরেশনে ওয়ার্ডের সংখ্যা ৩০টি। এখানে কেন্দ্রের সংখ্যা ১০০, স্থায়ী ভোটকক্ষ ৬১৪ এবং অস্থায়ী ভোটকক্ষের সংখ্যা ৩৭। এ সিটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ৬০টি। সিলেট সিটিতে ভোটার ২ লাখ ৯১ হাজার ৫৭ জন। আর ওয়ার্ডের সংখ্যা ২৭টি। মোট ভোট কেন্দ্র ১২৭টি। স্থায়ী ভোটকক্ষের সংখ্যা ৮৯৬ এবং অস্থায়ী কক্ষের সংখ্যা ১১। এ সিটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ৪৫টি।

তিন স্তরের নিরাপত্তায় স্ট্রাইকিং ফোর্সসহ ২০ হাজার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী : সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু করতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি। নির্বাচনী মাঠে থাকছে স্ট্রাইকিং ফোর্সসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ২০ হাজার সদস্য। নির্বাচন পরিচালনা কর্মকর্তার বাইরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার/ভিডিপি, আনসার ব্যাটালিয়ান, এপিবিএন ও কোস্টগার্ড সদস্যরা মাঠে সার্বক্ষণিক টহলে নেমেছেন। এছাড়া ভোট কেন্দ্রের বাইরে প্রতিটি সিটি এলাকায় সাদা পোশাকে অতিরিক্ত ৫০ জন র‌্যাব সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে ইসির একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক টহল দেবে স্ট্রাইকিং ফোর্স।

কমিশনের তথ্য মতে, চার সিটিতে স্ট্রাইকিং ফোর্সের দায়িত্বে থাকবে ২১ প্লাটুন বিজিবি (৪৬২ জন), ৫ প্লাটুন কোস্টগার্ড (১১০ জন) এবং ১ হাজার ৭৪৫ জন র‌্যাব। আর নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ৯১ জন। এর সঙ্গে পুলিশ, আনসার/ভিডিপি, আনসার ব্যাটালিয়ান ও আর্মস পুলিশ ব্যাটালিয়ান (এপিবিএন) সদস্যরা মাঠে থাকছেন। ইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, বরিশালে ৩ হাজার ৪শ, সিলেটে ৩ হাজার ১শ, খুলনায় ৭ হাজার ৪২৭ এবং রাজশাহীতে ৩ হাজার ৯১৫ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

ইসি থেকে ৮ কেন্দ্রে ওয়েব ক্যামে সার্বক্ষণিক মনিটরিং : নির্বাচন কমিশন থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অপর চার কমিশনার সরাসরি চার সিটির ৮টি কেন্দ্র ভোটের দিন ওয়েব ক্যামের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবেন। প্রতি সিটির ২টি করে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করে ওয়েব ক্যাম স্থাপন করা হচ্ছে।

ইসির গোপন পর্যবেক্ষকরা মাঠে : ইসির গোপন পর্যবেক্ষকরা চার সিটিতেই মাঠে নেমেছেন। আজ সকাল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সার্বক্ষণিক ইসির নিজস্ব গোপন পর্যবেক্ষক মাঠে নামছেন। তারা ভোটের আগের দিন, ভোট গ্রহণের দিন ও পরের দিন নিয়ে মোট ৩ তিন নজরদারি করবেন। এসব গোপন পর্যবেক্ষক কাউকে কিছু না জানিয়ে অনেকটা গুপ্তচরের মতো কাজ করবেন। কোনো প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন কিংবা কোনো অনিয়ম করলে সঙ্গে সঙ্গে ওই কর্মকর্তারা নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাবেন। এক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজনীয় সবকিছুই করবেন তারা। সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভিন্ন থানা ও জেলা কর্মকর্তাদের নিয়ে এ পর্যবেক্ষক টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের বাইরে বিশেষ নিরাপত্তা টিম থাকছে। সহিংস ঘটনা সামাল দিতে কয়েকটি কেন্দ্র মিলে নির্দিষ্ট সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে রাখা হচ্ছে। ভোট গ্রহণের দিন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে কেউ অবনতি ঘটাতে না পারে সেজন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। পাশাপাশি ৯১ জন নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনী এলাকায় সার্বক্ষণিক টহল দেবেন।

তাৎক্ষণিক সাজা দিতে মাঠে ৯১ ম্যাজিস্ট্রেট : আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে নেমেছেন ৯১ জন ম্যাজিস্ট্রেট। এদের মধ্যে ৬৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২৭ জন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ১৭ মে থেকে এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা ১৩ থেকে মাঠে নেমেছেন। তারা ভোট গ্রহণের পরের দিন পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের দায়িত্ব পালন করবেন। ভোট গ্রহণের সময় কোনো ধরনের অনিয়ম ও সহিংসতা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে তাৎক্ষণিক সাজা দেয়ার ক্ষমতা এ ম্যাজিস্ট্রেটদের দেয়া হচ্ছে।

ইভিএমে ভোট প্রদানের প্রস্তুতি সম্পন্ন : চার সিটির ১৩টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে কমিশন। এছাড়া নির্বাচন কর্মকর্তারা প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের ইভিএমে ভোটদান পদ্ধতির প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। এর মধ্যে রাজশাহী সিটির ৮ নম্বর, খুলনার ৮ নম্বর, বরিশালের ১৬ নম্বর ও সিলেটের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ১৩ কেন্দ্রে ৭৩টি ভোটকক্ষে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। রাজশাহীতে ৩টি কেন্দ্রের ২০টি ভোটকক্ষে মোট ৬ হাজার ৮২৩, খুলনায় ৫টি কেন্দ্রের ২১টি ভোটকক্ষে ৬ হাজার ২৩৭, বরিশালে ২টি কেন্দ্রের ১২টি ভোটকক্ষে ৪ হাজার ২৮১ ও সিলেটের ৩টি কেন্দ্রের ২০টি ভোটকক্ষে ৬ হাজার ২৮৩ জন ভোটার ইভিএমে ভোট দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, ২৯ এপ্রিল চার সিটির তফসিল ঘোষণা করে ভোট গ্রহণ নির্ধারিত হয় ১৫ জুন। সর্বশেষ ২০০৮ সালের ৪ আগস্ট এ চার সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।