পরবর্তী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধেও চেতনা পৌঁছে দিতে হবে

প্রকাশ:| শনিবার, ২৯ নভেম্বর , ২০১৪ সময় ১১:১৬ অপরাহ্ণ

মুক্তিযোদ্ধা স্কোয়াডের সাথে আলোচনায় মহিউদ্দিন চৌধুরী
পরবর্তী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধেও চেতনা পৌঁছে দিতে হবে
মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। আমাদের মহান স্বাধীনতা অনেক রক্তক্ষয়ের পর মুক্তিযোদ্ধাদের হাত ধরেই এসেছে। তাই পরবর্তী প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান পৌঁছে দিতে হবে।
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বিজয় মেলার মুক্তিযোদ্ধা স্কোয়ার্ডের সাথে আজ বিকেলে এক মতবিনিয়ম সভায় এই অভিমত ব্যক্ত করেন। মুক্তিযুদ্ধের বিঝয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান বদিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠত সভায় তিনি বলেন, শেখ হাসিনার গণতান্ত্রিক সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যে অনেক কাজ করেছে। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও সম্মান অনেক বাড়িয়ে দিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বর্তমানে যে পরিমান দেয়া হচ্ছে তা বাড়িয়ে ১০ হাজার টাকা করা হবে বলে তিনি সভাকে অবহিত করেন। তিনি আরো বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদের আধুনিক বিশ্বেও উপযুক্ত করে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। তাই ছেলে-মেয়েদের ইংরেজী জ্ঞান বৃদ্ধির ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন। এই লক্ষ্যে বিত্তশালী মুক্তিযোদ্ধাদের অর্থ অনুদানের মাধ্যমে ইন্ডিপেনডেন্ট কিন্ডার গার্টেন স্কুল নামে একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্রতিষ্ঠা করা এবং সমমনা সংস্থা নামে একটি ফোরামকে এ স্কুল পরিচালনার দায়িত্বভার দেওয়ার কথা বলেন।
আগামী ১১ ডিসেম্বর বিজয় মঞ্চে মুক্তিযোদ্ধা স্কোয়ার্ডের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এবং বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হেলাল মোরশেদ চৌধুরী ও ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত কাদিও গামা।
এছাড়া প্রখ্যাত শিল্পী ফরিদা পারভীনের গান, কুষ্টিয়ার বাউলদের পরিবেশনায় লালন গীতি, মাইজভান্ডারী গান পরিবেশিত হবে। সভায় ১১০ সদস্য বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা স্কোয়ার্ড গঠন করা হয়।
সভায় এ.বি.এম মহিউদ্দিন বলেন, ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রমাণ আমরা ৭১’ এ পেয়েছি। আবারও সকলকে এক হতে হবে। রাজাকার আমাদের মধ্যে প্রবেশ করেছে। তারা পদও পেয়েছে। তাদের চিহ্নিত করতে হবে। মুক্তিযদ্ধের চেতনায় আমাদের রক্তে আবারও বিপ্লবী চিন্তা ধারন করতে হবে। এ ধারনাকে বহন করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধাদের সংগঠিত করার জন্য আমাদের এই প্রয়াস।
সভায় বক্তব্য রাখেন-মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব আহমদুর রহমান সিদ্দিকী, মোহাম্মদ ইউনুছ, মুক্তিযোদ্ধা পান্টুলাল সাহা, সরোয়ার কামাল দুলু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শেখ শহিদুল আনোয়ার, মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল হক চৌধুরী (সৈয়দ), ক্যাপটেন এনামুল হক চৌধুরী, জাহাঙ্গীর চৌধুরী সিইনসি, আবুল কাসেম চিশতি প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন-এ.কে.এম সরোয়ার কামাল,জাফর আলী হিরু, দোস্ত মোহাম্মদ, মোঃ ইসমাইল কুতুবী, মোহাম্মদ সেকান্দর আলম চৌধুরী, কল্যাণ কুমার সেন, তপন কান্তি বড়–য়া, মোঃ ইউসুপ,লিয়াকত হোসেন, মোঃ আলম, জাফর আহম্মদ, বজল আহম্মদ, মোহাম্মদ ইউনুছ, মোঃ এয়াকুব, এফ.এফ আকবর খান, আহম্মদ আফতাব, দীলিপ কুমার দাশ, আবদুল ওয়াহিদ, মোঃ আলী হোসেন, মোঃ এমরান গাজী, মোঃ কামরুল আলম, এম.এ আবদুস সবুর, এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান, এম এনামুল হক চৌধুরী, এম আনোয়ার হোসেন, খোরশেদ আলম, ফজল আহম্মদ, মোঃ সিরাজুল ইসলাম খান, সাবের আহম্মদ, ডাঃ সালে আহম্মদ, জাহাঙ্গীর আলম, এস.এম মোজাহিদ, মোঃ হোসেন, এম এ মান্নান খান, আহম্মদ, মোঃ ইউনুছ মিয়া সরকার, লেয়াকত আলম শেঠ, শামসুল হক, আবদুল বারেক, আবদুর ওহিদ মিয়া, আবদুল খালেক, কাজী মোঃ ইয়াইয়া চৌধুরী, মোঃ ইউনুছ, সেলিম উল্লাহ, মোঃ নুরুদ্দিন, খলিল্লাহ সরদার প্রমুখ।
বিজয় মেলার উদ্বোধন উপলক্ষে মেলা পরিষদের উদ্যোগে আজ বেলা ১২ টায় প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।