পটিয়া শাহচান্দ আউলিয়া মাদ্রাসায় উপাধ্যক্ষ নিয়োগ বানচালের চেষ্টা

প্রকাশ:| বুধবার, ১০ আগস্ট , ২০১৬ সময় ০৭:৫৪ অপরাহ্ণ

নিয়োগ বাণিজ্য
পটিয়া প্রতিনিধি॥
নিয়োগ আবেদনে চার প্রার্থী বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে পটিয়া শাহচান্দ আউলিয়া কামিল মাদ্রাসায় উপাধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়া বানচালের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিয়োগ বাণিজ্যে ব্যর্থ হয়ে একটি চক্র নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বানচালের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট অনেকের অভিযোগ।
জানা গেছে পটিয়া শাহচান্দ আউলিয়া কামিল মাদ্রাসায় উপাধ্যক্ষ পদ শূণ্য হলে ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এতে উপাধ্যক্ষ পদে ১১ জনের আবেদন জমা পড়ে। গত ৩০ জুলাই নিয়োগ কমিটি আবেদন গুলো যাচাই বাছাই শেষে ৪টি আবেদন বাতিল ও ৭টি আবেদন গ্রহণ করে। নিয়োগ কমিটি বিষয়টি ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে এবং অনুমতি ক্রমে ৭জনের নামে ইন্টারভিউ কার্ড ইস্যু করেন। গতকাল ১০ আগষ্ট নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠানের নির্ধারিত তারিখ ছিল। এর আগে মাদ্রাসার গর্ভনিং বডির কতিপয় সদস্য বাদ পড়া থেকে জসিম উদ্দীন আযহারী ও শহীদুল হক হোসাইনীর নামে ইন্টারভিউ কার্ড ইস্যু করার জোর সুপারিশ করেন। কিন্তু বিধি সম্মত না হওয়ায় নিয়োগ কমিটি তাদের ইন্টারভিউ কার্ড ইস্যু করেনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গর্ভনিং বডির একজন সদস্য বাদ পড়াদের পক্ষে ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযোগ দেন। এরই প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ ১০ আগষ্টের পরীক্ষা স্থগিত রাখে। পটিয়া শাহচান্দ আউলিয়া কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ ক্ষেত্রে একটি অসাধু চক্র প্রার্থীদের থেকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে প্রায় সময় নিয়োগ বাণিজ্য চালিয়ে থাকার অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। উপাধ্যক্ষ নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের মনোনীত প্রার্থীরা বাছাই পর্বে ঝড়ে যাওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়া বানচাল করতে ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ।
বাছাই পর্বে বাদ পড়া প্রার্থীদের ব্যাপারে নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও পৌর মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ জানান, আবেদনের ক্রটিজনিত কারণে ও ইসলামী আরাবী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা মোতাবেক উপাধ্যক্ষ পদে আবেদনের যোগ্যতা না থাকায় ৪টি আবেদন নিয়োগ কমিটির বাছাই পর্বে বাদ পড়ে যায়।