পটিয়ায় ফুটবল খেলা নিয়ে পৃথক সংঘর্ষে শিক্ষার্থীসহ আহত ২০

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট , ২০১৬ সময় ০৯:২৩ অপরাহ্ণ

পটিয়া প্রতিনিধি॥
পটিয়া উপজেলা আন্ত: স্কুল মাদ্রাসা ফুটবল ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ফুটবল খেলায় এজে চৌধুরী হাই স্কুল ও চক্রশালী হাই স্কুল মাঠে বৃহস্পতিবার সকাল ও দুপুরে ফুটবল খেলা নিয়ে দুই পক্ষের মারামারিতে শিক্ষার্থী ও দর্শকসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা যায় পটিয়া উপজেলা আন্ত: স্কুল মাদ্রাসা ফুটবল প্রতিযোগিতায় বিকাল ৩টায় চক্রশালা হাই স্কুল মাঠে এয়াকুবদন্ডী ও মুজাফরাবাদ হাই স্কুল ফুটবল দলের সাথে পূর্ব নির্ধারিত খেলা শুরু হয়। খেলার শেষ পর্যায়ে মুজাফরাবাদ স্কুলের একজন খেলোয়াড় মাঠে এয়াকুবদন্ডী হাই স্কুলের খেলোয়াড়ের সাথে অসধাচারণ ও ধাক্কা ধাক্কি করলে এ পর্যায়ে রেফারী লাল কার্ড দিয়ে তাকে মাঠ থেকে বের করে দেয়। এ নিয়ে খেলায় মুজাফরাবাদ স্কুলের খেলোয়াড় ও সমর্থকেরা এয়াকুবদন্ডী স্কুলের খেলোয়াড়দের মারধর শুরু করলে খেলা পন্ড হয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে উভয় পক্ষের ৭/৮জন আহত হয়। এতে খেলা পরিচালনা কমিটি এয়াকুবদন্ডী স্কুলকে বিজয়ী ঘোষণা করে।
অপরদিকে এজে চৌধুরী স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও এজে চৌধুরী কলেজ মাঠের ক্রীড়া জোনের আহবায়ক মিলন কান্তি দাশ জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার পূর্ব নির্ধারিত কুসুমপুরা হাই স্কুল বনাম মনসা স্কুল এন্ড কলেজের সাথে সকাল সাড়ে ১১টায় উক্ত মাঠে ফুটবল খেলা শুরু হয়। খেলার প্রথমার্ধের ১০ মিনিটের মাথায় মনসা স্কুল ১ গোলে এগিয়ে যায়। এতে কুসুমপুরা স্কুলের সমর্থিত দর্শকরা মাঠে নেমে বিশৃংখলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। এসময় এজে চৌধুরী স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষক বিধান বডুয়াসহ অন্যান্য শিক্ষকরা বেত দিয়ে দর্শক ও ছাত্রদের মাঠ থেকে তুলে দেয়ার চেষ্টা করে। এতে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয়ের পক্ষের ৮/১০ জন আহত হয়। পরে পটিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে খেলাটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হাসেম জানান, এজে চৌধুরী মাঠে মনসা স্কুল ফুটবল দল কুসুমপুরা স্কুল ফুটবল দলকে প্রথমার্ধে ১ গোল করলে কুসুমপুরা স্কুলের সমর্থক ও খেলোয়াড়রা রেফারীকে ভুয়া ভুয়া বলে চিৎকার করে দর্শকদেরকে উত্তেজিত করে। ফলে অমিমাংসিত থেকে যায়। এ বিষয়ে উপজেলা ক্রীড়া কমিটি বসে পরবর্তী সিদান্ত দিবেন বলে তিনি জানান। অন্যদিকে চক্রশালা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত খেলায় মুজাফরাবাদ স্কুলের এক খেলোয়াড় অসাধাচারণ করলে রেফারী লাল কার্ড দিয়ে বের করে দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়।