নৌ-বাণিজ্য বাড়াতে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সমঝোতা স্বাক্ষর

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১ মে , ২০১৪ সময় ১০:৫৩ অপরাহ্ণ

বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কা সরকারের পাঁচ সদস্যের একটি দল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেন। এর আগে বন্দরে ভবনের সভাকক্ষে বন্দরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা।

বৈঠকে শ্রীলঙ্কার হাইওয়ে, পোর্ট ও শিপিং মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অনুরাধা ওয়েজকন, শ্রীলঙ্কা নেভির কমান্ডার ভাইস এডমিরাল জয়নাথ, শ্রীলঙ্কা বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ ম্যানেজার ইউডি জায়াটিস্যা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক নির্মলা পরানাভিট্টানা ও বাংলাদেশে নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূত ডব্লিউ এ সারাত কুমার ওয়ারাগোড়া।
দুই দেশের নৌ-বাণিজ্য বাড়াতে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সমঝোতা স্বাক্ষর করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এতে দুই দেশের ৫জন করে ১০ জনের একটি স্টাডি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। কমিটি দুই বন্দরের ট্রান্সশিপম্যান্ট, সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি, ফিডার ভেসেল ও শিপিং লাইন কিভাবে বাড়ানো যায় সে বিষয়টি পর্যালোচনা করবেন।

এরপর দুই বন্দরের কাজের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে স্টাডি কমিটি তাদের মতামত ও পরামর্শ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন।

বৈঠক শেষে চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের বন্ধু প্রতিম দেশ। আমরা চাই দুই দেশের উন্নয়ন দ্রুত হোক। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই সাত সদস্যের একটি দল বাংলাদেশে আসে।

তিনি জানান, গত মঙ্গলবার নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই দুই বন্দরের মধ্যে জাহাজ চলাচল বৃদ্ধির বিষয়ে একটি সমঝোতা স্বাক্ষর হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় দুই দেশের ৫জন করে মোট ১০ জনের সমন্বয়ে একটি স্টাডি কমিটি গঠন কর ‍হবে। তারা ট্রান্সশিপম্যান্ট, ফিডার ভেসেল ও শিপিং লাইন কিভাবে বাড়ানো যায় সে বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ দেবেন।

বন্দর সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বন্দর ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন শ্রীলঙ্কা বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ ম্যানেজার ইউডি জায়াটিস্যা।

বৈঠকে তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কা বন্দরের সক্ষমতা দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু সক্ষমতা বাড়লেই হবে না, এর ব্যবহার হতে হবে। তাই আমরা বাংলাদেশের জাহাজকে সুবিধা দিতে চাই।

বৈঠকে চট্টগ্রাম চেম্বার পরিচালক মাহফুজুর হক শাহ, চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (হারবার এন্ড মেরিন) কমোডর এম শাহজাহান, যান্ত্রিক বিভাগের প্রধান খাইরুল মোস্তফা, পরিচালক পরিবহন গোলাম সারওয়ার, পরিচালক(নিরাপত্তা) লে. কর্নেল মোয়াজ্জেম হোসেন, পরিচালক(প্রশাসন) মুহিবুল হক, ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন নাজমুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।