নৌবাহিনীর তৎপরতায় গ্রিন ল্যান্ডের হারানো দ্বীপ উদ্ধার!

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| বুধবার, ৩১ জানুয়ারি , ২০১৮ সময় ০৯:১১ অপরাহ্ণ

গ্রিন ল্যান্ডের অর্জিত সমুদ্রসীমায় বিশাল তেল ও গ্যাস ব্লকের সন্ধান পাওয়ায় প্রতিবেশি রাষ্ট্র অরেঞ্জ ল্যান্ড ষড়যন্ত্র শুরু করতে থাকে। এরই অংশ হিসেবে অরেঞ্জ ল্যান্ড দুই দেশের মীমাংসিত সমুদসীমাকে বিতর্কিত করে তোলে এবং জাতিগোষ্ঠী রক্ষার অজুহাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করে। একপর্যায়ে গ্রিন ল্যান্ডে অবস্থিত রকি দ্বীপকে নিজেদের সীমানার অংশ হিসেবে দাবি করে তা দখল করে নেয়।

কিন্তু গ্রিন ল্যান্ডের শক্তিশালী নৌবাহিনী থাকায় ষড়যন্ত্র সফল করতে পারেনি হামলাকারীরা। শুরু হয় একের পর এক প্রতিরোধ।

প্রথমেই বানৌজা দুর্জয় থেকে কমান্ডার আহসান উদ্দীনের নেতৃত্বে শত্রু পক্ষকে তাক করে ছোড়া হয় ক্ষেপণাস্ত্র সি-৭০৪। আর এতেই ধ্বংস হয়ে যায় ৩৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শত্রু পক্ষের ঘাঁটি।

এ যুদ্ধের বাস্তব কোনো অভিজ্ঞতা নেই। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বার্ষিক মহড়ায় অংশ নেওয়া যুদ্ধ জাহাজগুলোকে গ্রিন ল্যান্ড এবং অরেঞ্জ ল্যান্ড নামে দু’টি ফোর্সে ভাগ করে এভাবেই প্রদর্শন করা হয় সমর কৌশল ও সন্ত্রাস বিরোধী কমান্ডো অপারেশন।

পরে বানৌজা বঙ্গবন্ধু থেকে আকাশে ৬ কি.মি. দূরত্বে অবস্থিত লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে ছোড়া হয় কিউ-২ এসএলএসএম। এরপর একে একে চলতে থাকে মহড়া। অ্যান্টি এয়ার র‌্যাপিড ফায়ারিং, সন্ত্রাসীদের কবল থেকে বাণিজ্য জাহাজ উদ্ধারসহ বিভিন্ন সমর কৌশল। উদ্ধার তৎপরতা শেষে নৌবাহিনীর হেলিকপ্টার জাহাজে অবতরণ করে। এভাবে নৌবাহিনীর তৎপরতায় গ্রিন ল্যান্ডের হারানো দ্বীপ রকি উদ্ধারের মাধ্যমে শেষ হয় ‘এক্সারসাইজ সেফগার্ড-২০১৭’।

মহড়ায় সাজানো এ কাল্পনিক যুদ্ধটি বানৌজা বঙ্গবন্ধু থেকে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক। এসময় সেখানে নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদও উপস্থিত থাকবেন।

মহড়া শেষে মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ মহড়া তাদের উন্নত প্রশিক্ষণ, কঠোর পরিশ্রম ও গভীর আত্মবিশ্বাসকেই উপস্থাপন করে। এজন্য আমি নৌবাহিনীর প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।