নৌকা প্রতীকের দাবীতে জাহাঙ্গীর সমর্থকদের মিছিল: উত্তপ্ত রাজপথ

প্রকাশ:| সোমবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি , ২০১৬ সময় ১০:১১ অপরাহ্ণ

পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের জনপ্রিয় সভাপতি তৃণমূলের আশা ভরসার প্রতীক জাহাঙ্গীর আলমকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবীতে সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে দলীয় নেতাকর্মীরা আবারো বিশাল মিছিল ও পদসভা করেছে।

গত ৩দিন ধরে সদরের ৯টি ওয়ার্ডে তাকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবীতে এলাকার আপমার জনগন রাস্তায় নেমে পড়ার ধারাবাহিতায় ২৯ ফেব্র“য়ারী বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাজার হাজার জনতা বিশাল এ মিছিলে অংশ নেয়। মিছিলটি পেকুয়া চৌমহুনী হয়ে আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজার, কাটাপাড়ি ব্রীজ, বাঘগুজরা ব্রীজ চড়াপড়া হয়ে সদরের প্রত্যেকটি সীমান্ত প্রদক্ষিন করে।

এ সময় প্রতিটি পাড়ায় পাড়ায় তাদের মিছিলকে করতালির মাধ্যমে স্বাগতম জানিয়ে সফলতা কামনা করেন। ওই সময় অনেক গৃহবধু তাকে নৌকা প্রতীক বরাদ্ধ দিলে বিজয় নিশ্চিত দাবী করেন। প্রতিটি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, যুবলীগসহ সকল সহযোগি সংগঠন ও স্থানীয় এলাকাবাসীর শান্তিপূর্ন এ মিছিলে তাদের একটাই দাবী ছিল জাহাঙ্গীর আলমকে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী মনোনয়ন চাই চাই।

জানা গেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা উপজেলার সাত ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী ঘোষনা করে। তবে সদর ইউনিয়ন নিয়ে রয়ে গেছে দ্বিধা। জাহাঙ্গীর আলম এর সমর্থকরা মাঠ দখলে রেখে মিছিল মিটিং অব্যাহত রেখেছে। তাতে সমর্থন দিচ্ছে স্থানীয় এলাকাবাসীও।যার কারণে ভটকে গেছে বর্তমান বিএনপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ।

জাহাঙ্গীর আলমকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দিলে তিনিও নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার জন্য চিন্তা ভাবনা করছেন বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে নৌকার প্রতীক দাবীদার এ্যাড: কামাল হোসেন হয়ে পড়েছেন জনশূন্য। তিনি ঢাকা থেকে পেকুয়ায় আসার পর কবির আহমদ বাজারে একটি মিছিল করলেও লোকসংখ্যা ছিল ত্রিশ থেকে চল্লিশ জনের মত। তাকে একক প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দিলে বিএনপি আবারো নিশ্চিত জিতে যাবে বলে তৃণমূল আওয়ামীলীগের দাবী।

হাজার হাজার জানতার দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাড়ি ফিরে যাবেনা। এমনকি ওই মিছিলটির অংশগ্রহণকারী অনেকজন বেহুশ হয়ে পড়ে থাকলেও দমে যায়নি তারা। স্থায়ীভাবে অনশনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে বলে মিছিলে অংশগ্রহনকারীরা জানান।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম জানান, আজ জনগনের ভালবাসা পেয়ে আমি অবিভূত। জানতাম না জনগণের ভালবাসা কি। আজ বুঝতে পারছি। এলাকায় আমি নাই। অথচ আমাকে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী করতে তারা মরিয়া এলাকাবাসী। এ ভালবাসা আমার প্রতি নয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতি। আওয়ামী রাজনীতিতে আছি আজীবন থাকব ইনশাল্লাহ।


আরোও সংবাদ