নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২ জুলাই , ২০১৩ সময় ১০:২১ অপরাহ্ণ

১০ শিক্ষার্থীকে বহিস্কারের প্রতিবাদে ভাংচুর ও হামলার পর নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।নোবিপ্রবি বন্ধ ঘোষণা

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নেয়।
শিক্ষকরা জানান, দাবি আদায়ের নামে এপ্ল্যায়েড কেমেস্ট্রি ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দুই শিক্ষককে ১৬ ঘণ্টা আটকে রেখে মুচলেকা আদায়ের করে শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে কর্তৃপক্ষ ১০ ছাত্রকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিস্কার ও দুই ছাত্রকে জরিমানা করে।
তারা জানান, বহিস্কারের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এসিসিই বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে ব্যাপক ভাংচুর করে। এ সময় ক্যাম্পাসে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ মোতায়েন ছিলো। হামলায় প্রক্টরসহ অনেকে আহত হন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোমিনুল হক সমকালকে জানান, এ ঘটনায় সন্ধ্যায় কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করেছে। রাত ১০টায় ছাত্রদের ও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির সভার সিদ্ধান্তের আলোকে মঙ্গলবার সকালে নোবিপ্রবি’র জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়, শাস্তিপ্রাপ্ত ছাত্ররা সবাই এসিসিই বিভাগের শিক্ষার্থী। এরমধ্যে দুই বছরের জন্য বহিস্কৃতরা হলো- মো. জহিরুল ইসলাম, আবদুস সোবহান খাঁন ও খালেদ মো. সাইফুল্লাহ।
দেড় বছরের জন্য বহিস্কৃতরা হলো- দেবাশিস সরকার, এসএম জুলকার নাইন, মোহাম্মদ ফারুক, আশেকিন দেওয়ান ও দোছ মোহাম্মদ। এক বছরের জন্য বহিস্কৃতরা হলো- সদ্বীপ দাস ও দিদারুল আলম।
এছাড়া মীর হোসেন ও হোসেন মোবারক নামের দুই শিক্ষার্থীকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. সফিকুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির জন্য সরাসরি উপাচার্য প্রফেসর একেএম সাইদুল হক চৌধুরীকে দায়ী করেন।
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রি প্রদান, সমৃদ্ধ ল্যাব সুবিধা ও পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার দাবিতে রোববার শিক্ষার্থীরা দুই শিক্ষককে ১৬ ঘণ্টা আটকে রাখে।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি