নূর হোসেনকে আ.লীগ থেকে ‘বহিষ্কার’

প্রকাশ:| শনিবার, ১০ মে , ২০১৪ সময় ১০:০২ অপরাহ্ণ

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারসহ ৭ হত্যা মামলার দুই আসামি নূর হোসেন ও ইয়াসিন মিয়াকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগ।

শনিবার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকায় অবস্থিত থানা আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে এক কার্যকরী সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

একই সঙ্গে দুই নেতাকেই আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কালিপদ মল্লিককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সভায় উপস্থিত সব নেতাকর্মীর সম্মতিক্রমে নূর হোসেন ও ইয়াসিনকে বহিষ্কারের প্রস্তাব উত্থাপন করেন সভার সভাপতি মজিবর রহমান। সভা পর্যবেক্ষণ করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা।

বিকেল ৪টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন- সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন রেনু, কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি আবদুল মতিন মাস্টার, সহসভাপতি বাবুল আকতার মোল্লা, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মোতালেব, জহিরুল ইসলাম, আলী হোসেন আলা প্রমুখ।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান বাংলামেইলকে জানান, বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের একটি সভা আহ্বান করা হয়। সেখানে নূর হোসেন ও হাজী ইয়াসিন মিয়াকে তাদের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের দল থেকে বহিষ্কারের প্রস্তাব করা হয়েছে। পরে সেই প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠানো হবে। কেন্দ্র থেকে তাদের বহিষ্কারের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা জানান, দলের গঠনতন্ত্র মোতাবেক সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের নেতারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি ওই সভায় পর্যবেক্ষণ করেছি। গঠনতন্ত্র মোতাবেক তাদের থানা আওয়ামী লীগের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তাদের বহিষ্কারের ব্যাপারে প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠানো হবে। কেন্দ্র থেকে বহিষ্কারের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। পরে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধারা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নূর হোসেনকে প্রধান আসামি ও সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াসিন মিয়াকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়।