নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমেছে

প্রকাশ:| সোমবার, ২৩ মার্চ , ২০১৫ সময় ১১:০৬ অপরাহ্ণ

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ ও এরপর উপজেলা নির্বাচনের পর সার্বিক নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমে গেছে বলে জানিয়েছে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ (ইডব্লিউজি)। এ জন্য সবার আগে নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর মানুষের বিশ্বাস পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা জরুরি বলে মনে করছে সংগঠনটি। এ বিশ্বাস পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ এবং নির্বাচনী কার্যক্রমের প্রতিটি পদক্ষেপে পেশাগত আচরণ, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা প্রদর্শনের আহ্বান জানায় ইডব্লিউজি।
আজ সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে এক এক সংবাদ সম্মেলনে এ মত ব্যক্ত করেন সংগঠনের পরিচালক মো. আব্দুল আলীম। লিখিত বক্তব্যে মো. আব্দুল আলীম বলেন, গণতন্ত্রে নির্বাচনের অপরিহার্য ভূমিকার কারণে ইডব্লিউজি সব ধরনের নির্বাচনকে স্বাগত জানায়। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে হবে। প্রার্থী ও ভোটাররা যেন নির্ভয়ে থাকতে পারে, এজন্য নির্বাচন কমিশনকে ব্যাপকভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সিটি করপোরেশন নির্বাচন যেহেতু নির্দলীয়, কাজেই রাজনৈতিক মনোনয়ন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন করতে হবে।
ইডব্লিউজিসংবাদ সম্মেলনে নারী ভোটারদের ভোট গ্রহণে নারী কর্মকর্তা নিয়োগ, নির্বাচন কেন্দ্রে বাধ্যতামূলক পোলিং এজেন্ট নিয়োগসহ মোট ১১ দফা সুপারিশ করা হয়। ইডব্লিউজি জানিয়েছে, ঢাকা সিটি নির্বাচনে তাদের ৪৬ জন দীর্ঘ মেয়াদি পর্যবেক্ষক ও নির্বাচনের দিন এক হাজার পর্যবেক্ষক কাজ করবেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ২১ জন দীর্ঘ মেয়াদি পর্যবেক্ষক ও ভোটের দিন ৭০০ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা আছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনটির সদস্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, তালেয়া রেহমান, কামরুল হাসান প্রমুখ। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে দেশের ২৮টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জোট ইডব্লিউজি গঠিত হয়।


আরোও সংবাদ