নির্বাচনী প্রচারে সরকারি কর্মকর্তা, তদন্ত করবে ইসি

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল , ২০১৫ সময় ১১:১৮ অপরাহ্ণ

প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের (চমেক) অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও চসিকের প্রধান নির্বাহীকে চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন।

চমেক অধ্যক্ষ ও চমেক ‍হাসপাতালের পরিচালককে দেয়া চিঠিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার এক মেয়র প্রার্থীর সমর্থনে চমেকে’র শাহ আলম বীরোত্তম মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

“ওই সভায় আপনার প্রতিষ্ঠানের সরকারি কিছু চিকিৎসক ও নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নিয়েছেন। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের পরিদর্শক দলের কাছেও তথ্য আছে।“

বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সমর্থিত নাগরিক কমিটির মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাছির উদ্দিনের পক্ষে চমেকের শাহআলম বীরউত্তম মিলনায়তনে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওই সভায় চমেকে’র চিকিৎসক, শিক্ষক, সেবক-সেবিকা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ভুঁইয়া ডাবলু, ইকবাল আর্সনাল, আবু নাছের রিজভি, আহসান হাবিব হেলালসহ বেশ কয়েকজন চিকিৎসক নেতা।

চিঠিতে আবদুল বাতেন বলেন, নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০১০ এর ৬(১৪) ধারা অনুসারে তফসিল ঘোষণার পর কোন প্রার্থীর পক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত হতে পারেন না।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শফিকুর রহমান বলেন, সভায় যেসব চিকিৎসক-সেবিকা-কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশ নিয়েছেন তাদের বিষয়ে তদন্ত করতে কমিশনের পক্ষে একজন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। চমেকের অধ্যক্ষ ও চমেক হাসপাতালের পরিচালককে বলা হয়েছে কারা সভায় অংশ নিয়েছেন তাদের তালিকা প্রদান করতে। তদন্ত শেষে অংশগ্রহণকারীদের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে আরেকটি চিঠিতে বলা হয়েছে, চসিকের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতিদ্বন্দ্বী বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত হয়েছেন বলে আমরা অভিযোগ পেয়েছি।

এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিদের্শ দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।