নির্বাচনী পরিবেশে ভীতি ছড়ানো হচ্ছে

প্রকাশ:| রবিবার, ১২ এপ্রিল , ২০১৫ সময় ০৮:৪৪ অপরাহ্ণ

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভীতির পরিবেশ ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এবং মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী মোতায়ন ছাড়া সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মনে করেন বিএনপি কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্যাহ আল নোমান।
রবিবার সকালে চট্টগ্রামের মেহেদীবাগে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই মনোভাব ব্যক্ত করেন দলটির নেতারা। শনিবার বিকালে চট্টগ্রামের বায়েজীদ থানাধীন বাংলাবাজার এলাকায় ২০দলীয় জোট সমর্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচূরের প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।
নির্বাচনী পরিবেশে ভীতি ছড়ানো হচ্ছেসংবাদ সম্মেলনে মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সরকারী দল সমর্থিত প্রার্থীরা ভয়ভীতি ও ত্রাস সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাবাজারে মনজুর আলমের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে।”
“হামলায় সাবেক হুইপ ওয়াহিদুল আলমসহ কমপক্ষে ১০জন আহত হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই নারী কর্মী, নির্বাচনী কার্যালয়ের সব আসবাবপত্র ভাংচূর করা হয়েছে, ছাত্রলীগ- যুবলীগের নেতা- কর্মীরা লাঠি সোটা ও কিরিচ নিয়ে মিছিল করে এসব করেছে, উল্লেখ করেন আমীর খসরু।
তিনি বলেন, “সরকার সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন প্রশাসনকে নিজেদের সহযোগী মনে করে, সেই জন্য প্রশাসনের নাকের ডগায় আইন- কানুন ও আচরন বিধি কোন কিছুরই তোয়াক্কা করছেনা তারা,নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচূরের ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হলেও এখনো কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”
“সরকারী দলের লোকজন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে পাচই জানুয়ারীর মত তামশার নির্বাচনে পরিনত করতে চাই, নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, উল্লেখ করেন আমীর খসরু।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্যা আল নোমান দাবি করেন “পরিস্থিতি যেভাবে ভীতিজনক হয়ে উঠছে তাতে সেনাবাহিনী মোতায়ন ছাড়া সূষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব, পুলিশ আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছে, নির্বাচনী প্রচারনা থেকে নিরপরাধ নেতা-কর্মীদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।”
প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশন অবশ্যই এর জন্য দায়ি থাকবে বলে মনে করেন আবদুল্যাহ আল নোমান।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেক হুইপ ও বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা ওয়াহিদুল আলম আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন এবং তার ডান হাত ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখান সাংবাদিকদেরকে।
সাংবাদিকদেরকে শনিবার বিকালে হামলার র বর্নাণা দেন ওয়াহিদুল আলম।
শনিবারের হামলার ঘটনায় নগরীর বায়েজীদ থানায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান বাদল সহ দুই জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৪০/৫০জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।