নিরীহ পরিবারের উপর হামলা

প্রকাশ:| সোমবার, ২০ মার্চ , ২০১৭ সময় ০৮:৫০ অপরাহ্ণ

পটিয়ায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাটি ভরাট ও ইমারত নির্মাণ

পটিয়া প্রতিনিধি:
পটিয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিরীহ পরিবারের জায়গায় জোরপূর্বক প্রতিপক্ষ কর্তৃক মাটি ভরাট ও ইমারত নিমার্ণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও ইমারত নির্মাণে বাধা দিলে নিরীহ জয়নাল আবেদীনের উপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষরা। এব্যাপারে পটিয়া উপজেলার শোভনদন্ডী রশিদবাদ গ্রামের মো. জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আসামীরা হলেন মো. ইউসুফ, রেহেনা আকতার, খোরশেদুল আলম, রিনা আকতারসহ আরো ১০-১২ জন। নিরীহ জয়নাল আবেদীনের অভিযোগ, প্রতিপক্ষরা তাদের নানা ভাবে হুমকি ধুমকি প্রদান করায় নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছে তারা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শোভনন্ডী রশিদাবাদ গ্রামের জয়নাল আবেদীনের সাথে প্রতিপক্ষ ইউসুফ, রেহেনা, খোরশেদুল আলম, রিনা আকতারের সাথে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। সম্প্রতি জয়নাল আবেদীনের বিরোধীপূর্ন জায়গায় জোরপূর্বক মাটি ভরাট ও ইমারত নির্মাণের চেষ্টা করে প্রতিপক্ষরা। জয়নাল বিষয়টি পটিয়া থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে দুপক্ষকেই স্থিতিবস্থা বজায় রেখে মাটি ভরাট ও ইমারত নির্মাণ বন্ধের নির্দেশনা প্রদান করেন। সেদিনই পটিয়া থানায় জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করে। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে চলতি মাসের ৭ মার্চ প্রতিপক্ষরা জয়নাল আবেদীনের উপর হামলা চালায়। এতে জয়নাল আবেদীনের মাথায় ও হাতে গুরুত্বর জখম হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী বাদী হয়ে পটিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ইউসুফসহ অন্যান্যদের আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে। মামলাটি বর্তমানে পটিয়া থানার এসআই কামাল হোসেন তদন্ত করছেন। জয়নাল আবেদীন জানান, নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও প্রতিপক্ষরা বিরোধপূর্ণ জায়গায় জোরপূর্বক মাটি ভরাট ও ইমারত নির্মাণ করলে তিনি পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তা বন্ধ করে দেয়। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে তার উপর হামলা চালায়। বর্তমানে প্রতিপক্ষরা বিভিন্ন হুমকি ধুমকি প্রদান করায় নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছে বলে তিনি জানান।
পটিয়া থানার এসআই কামাল হোসেন জানান, বিষয়টি তদন্ত চলছে। জায়গা জমি সংক্রান্ত দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল বলে তিনি জানান।