নিরহ পাখি ও দুষ্টু পশু

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি , ২০১৮ সময় ১২:১৭ অপরাহ্ণ

তসলিম খাঁ::
সকাল বেলায় বনের এক পাখি একটা শিয়ালকে দেখে ভয়ে উড়ে যায়।
-শিয়াল মনে মনে ভাবে, আমি তো গাছের নিয়ে পাখিটা তো গাছের উপরে ছিল। তাহলে আমাকে নিচে দেখে উড়ে গেল কেন! আমি তো কিছুই বুঝতে পারলাম না কারণটা। আমি তাকে ধরতে কিভাবে পারব! সে তো আমার শিকার নষ্ট করে দিল।
শিয়াল মনে মনে ফন্দি আঁটে, যেভাবেই হউক এই পাখিটাকে শায়েস্তা করতে হবে। শিয়াল ভাবে, আমি কি গাছে উড়তে পারি! কিভাবে শায়েস্তা করব!
ভেবে চিন্তে শিয়াল পশুর রাজা সিংহের কাছে নালিশ দিল। সিংহ তো একইজাত তাই এই ভেবে কালক্ষেপন না করে দ্রুত বিচারের সময়ক্ষণ ঠিক করে দিল। শিয়ালের পরামর্শে সিংহ আহবান করল আলোচনা সভা।
-সিংহ বলে, পাখিরা বনে পশুদের শিকার নষ্ট করবে! তাকে শাস্তি পেতেই হবে।
-শিয়াল বলল, পারলে বিচার এমন করতে হবে সব পাখিদের বন ছাড়া করতে হবে। এবং আপনাদের মত দুষ্টু জন্তুদের মাধমে সে ব্যবস্থা যদি করেন তাহলে অন্য দুষ্টু পশুরাও খুশি হবে।
শিয়াল মনে মনে ভাবে, বিচার হলে আমার রাগটা পানি হবে। সিংহের আহবানে বৈঠক হবে পাখিরা কোনভাবে জানবে না যে আমার পরামর্শে এই আয়োজন করেছে সিংহ। যেহেতু আমার ছলা পরামর্শ ছাড়া বেকুপ সিংহ চলতে পারে না। বিপদে পড়লে আমাকে ডাকে।
একবার তো মরতে বসেছিল হাড় খেয়ে। বাগিস পাখির জাত বককে বুঝিয়ে সুজিয়ে এনে তার গলার হাঁড় বের করেছি। ওমা কি যেই হাঁড় বের করল বক, সেই বককেই খাওয়ার জন্য তেড়ে গেল সিংহ। আমি তো বককে খেতে পারতাম। খায়নি কারণ সিংহ মামাকে বাঁচতে হবে আমার জাত অন্য দুষ্টু জন্তুদের কাছ থেকে বাঁচতে।
যাই হউক, ঐদিন বিকালই সময়মত আলোচনা সভা আরম্ভ হল।
বাঘ, হরিণ, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও পাখিরাও এল সবাই। আলোচনা সভা শুরু হল সিংহের সভাপতিত্বে। একে একে পশুরা সবাই বক্তব্য রাখল। কিন্তু পাখিদের কোন কথাই বলতে দিল না।
পাখিরা মনে মনে ভাবে, আমাদের কেন আলোচনায় ডাকা হল জানলাম না?
আলোচনা সভায় সিদ্ধান্ত হল, পশুরা যখন শিকারে বের হব তখন কোন পাখি খুব নিচ দিয়ে আকাশে উড়তে পারবে না। পাখিরা দুর আকাশে উড়ে বেড়াবে, আমরা দেখে আনন্দ পাবে। যদিও গাছের ডালে বসে তাহলে কিচির মিচির করতে পারবে না।
কারণ, পাখিরা তো খুবই ছোট পেট ও খিদেও কম। তোদের আবার কিসের পেট।
-বাঘ বলে, সিংহ আমরা তো সুযোগ পেলে মানুষও খায়! তবে মানুষ পাবও কোথায়। মানুষ যে খুবই চালাক। পালিয়ে যায়। উলটো বন্দুক দিয়ে আমাদের মেরে ফেলে। আমাদের জীবিত ধরতে পারলে তো কথায় নেই সোজা বন্দী করে চিড়িয়াখানায়। আর পাখিরা তো স্বাধীন আকাশে ওড়ে আর দিন চলে যায়। খিদে পেলে আমাদের কিছুই করার নেই।
– পন্ডিত শিয়াল অনেকক্ষন চুপ থেকে তাদের কথা সাঁই দিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে আইনটা পাশ করে ফেলতে অন্য পশুদের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলে,
-শুন সকলে, আমরা পশুরা খিদের জালায় মরতে বসেছি, একমাত্র পাখিদের কিচির মিচির অত্যাচারে। কি গান করে পাখিও জানে না। সব সময় একই সুর আর ভাল লাগে না। পাখিরা যাতে আমাদের শিকার নষ্ট না করতে পারে তার জন্য যা যা করণিয় ব্যবস্থা নিতে হবে। না হয় এসব পাখিদের জালায় আমাদের একদিন অনাহারে মরতে হবে নির্ঘাত।
অবশ্যই হরিণ ও অন্য নিরহ পশুরা যাদের সিংহ ও বাঘ খায় তারা আলোচনায় কিছুই বক্তব্য রাখার সুযোগ পেল না।
-মনে মনে হরিণ ভাবে, পশুরা কি আকাশে ওড়ে পাখিদের আহার নষ্ট করবে! তবে কেন পাখিরা পশুদের রোষানলে পড়ল বুঝে আসে না।। কারণ আমরাও তো পুশুজাত। পশু হয়ে পশুদের আইন কানুন বিধি নিষেধ মেনে চলতে হবে। পশু হয়ে আমরা কি অন্য পশুদের মাংস খায়। পাখিরা কি পাখির মাংস খায়?
-হরিণ মনে মনে ভাবে, বিশ^াস না খায় না।
-একটি হরিণ ভাবে, সৃষ্টি কর্তা যে যাকে বানিয়েছেন সে সেভাবেই আহার করবে, খেলা ধুলা করবে, চলাফেরা করবে। তারপরও বনের রাজা সিংহের আইন আমরা কিভাবে অমান্য করব। সুযোগ পেলে আমাদেরও বাঘ, সিংহ, কুমির খেয়ে পেলে। তারপরও আমরা পশুর দল তো দুষ্টু পশুর পক্ষে রায় ও সমর্থন করা ছাড়া উপায় নাই।
– শিয়াল বলে, হরিণ বন্ধু কি ভাবছ মনে মনে! বুঝলে তো এবার এক ডিলে দুই পাখি। আকাশের পাখিদের অত্যাচারে অনাহারে মরতে বসেছি বেটা রক্ষা নাই আইন পাশ করে ফেলেছি।
পন্ডিত ও চালাক শিয়াল মনে মনে ভাবে,
আমারও চামচামীও হল আর অযথা প্রতিদিন শুধু শুধু সিংহ-বাঘকে বুদ্ধিও দিতে হবে না। বুদ্ধি দিতে দিতে সময় পার হয়। আইন পাশ হলে আমার আর হাস, মুরগি, ছোট প্রাণী খেতে তেমন বেগ পেতে হবে না। নিচে বসবাস করলেও এরাও তো পাখির জাত। উড়ন্ত পাখিদের খেতে না পারলেও তাদের বংশের এসব পাখিদের তো আমি ধরে ধরে খায়। আইন পাশ হলে আরো ভালভাবে খেতে পারব। এসব প্রাণী ধরতে গেলে তো কথায় নাই এক লাফে উড়ে পালায়। উড়তে তো পারে না। তবে বুঝায় আমরা পাখি- এই দেখ উড়ে যাচ্ছি।
আমি তো সরিসৃপ প্রাণীও খায়। সেটা আবার অনেক দুষ্টু পশু জানে তবে না, না জানার ভান করে থাকে। কারণ বাঘ, বাল্লুক, সিংেহের মত অনেক পশু তো তেমন ছোট প্রাণী শিকার করে না। তারা গরু, মহিষ, হরিণ, ছাগল, ভেড়ার মত মজাদার খাবার শিকার করে। আমি তো এসব প্রাণী শিকার করতে পারি না। তারা শিকার করলে আমি খবর জানতে পারলে আস্তে আস্তে গিয়ে সব শেষ করা মূহুর্তে চতুরেিদক গিয়ে ভাব জমাতে চেষ্টা করি। তবু ভাব জমে না। তাদের পেটের খিদে অনেক বেশী। খেতেই থাকে। মনে মনে চিন্তা করি। এই বুঝি সব মাংস শেষ হয়ে এলো। হাঁড় ছাড়া বাকী বুঝি কিছুই থাকবে না। হাঁড় কি আমি খেতে পারি! হাঁড় খাওয়ার তো কুকুর রয়েছে। হিংস পশুর চলে গেলে যেই খেতে যায়! কুকুরের দল আমাকে তাড়া করে। আমি রাজ পন্ডিত শিয়ালকে চিনেই না মনে হয়।
আলোচনা সভায় আইন পাস করে দুষ্টু পশুরা। শেষে সবাই যে যার মত করে চলে যায়। এদিকে মনের দুঃখে মনে নিয়ে সব পাখিরাও চলে যায় এক বুক ব্যাথা নিয়ে।
পাখিরা এই কানুন মেনে নিতে পারল না মনে মনে। কারণ পাখিদেরও তো পেট আছে। ছোট হউক পেট তো পেট। যার যার মত তার তার পেট। পাখিরাও  কি খিদের জালায় মরবে! পাখিরা গাছে গাছে চিকির কিচির করে সারাক্ষণ। ঐ দুর নীল আকাশে মনের সূখে উড়তে থাকে। খিদে পেলে ছুটে আসে বনে-জঙ্গলের গাছে গাছে। কিট-পতঙ্গ, লতা-পাতা খেয়ে পাখিরা বেঁচে থাকে। পাখি বলেই চিচির মিচির করবেই। সিংহ ও বাঘ কি খিদের জালায় তর্জন-গর্জন করে না! সকালে ভোর হওয়ার অপেক্ষায় থাকে পাখিরা। ভোরের সুর্যের লাল আভা আকাশের ছড়িয়ে পড়তেই পাখিদের সুরের সূমধুর ধ্বনিতে মানুষের ঘুম ভেঙ্গে যায়। কোন অসুবিধে হয় না। এই ভেবে পশুদের ঐ ঈগল পাখিটা সেটা মেনে নিতে পারেনি। মনে মনে চিন্তা করল পাখিদেরও একটা সভা করা দরকার।
তাই সময়মত একদিন পাখিদের আলোচনা সভা বসল। নিদিষ্ট সময়ে টিয়া, ময়না, কবুতর, চড়–ই, শালিকসহ প্রায় সব পাখিরা হাজির সভাস্থলে। পাখির জাত হাঁস, মুরগীরাও উপস্থিত হল। নিদিষ্ট আসনে সারি বদ্ধভাবে বসে পড়ে চতুরদিকে। আলোচনা সভা শুরু হল। সকলেই একে একে সবাই  যে যার যার মত করে তাদের মতামত বক্তব্য করল।
-ময়না পাখি বলে, চিচির মিচির আর সুরে যখন সকলের ভোরে ঘুম ভাঙ্গে আর মনের সুরে সুরে গান গায়। পশুদের সমস্যা কি?
ঈগল পাখির দৃষ্টি আকর্ষন করে ময়না পাখি বলে, বন্ধু ঠিক বলিনি? শিশুরা আমাদের পেয়ে আনন্দ পায়। বন্দি হলেও একটি পরিবারে আনন্দ দেখে আমরা নিজেরা খুব খুশি হই। মানুষ আমাদের পরম বন্ধু এটা মানতেই হবে। তারপরও বন ছেড়ে বেশি দিন খাঁচায় থাকতে মন চায় না। মনে দুঃখ পেলেও মানুষ খাঁচার দরজা খোলা পেলে উড়ে চলে যায় বনে। তবুও তো মানুষ অনেক ভাল। যদিও মানুুষ কিছু পাখি খায় বা বন্দি করে রাখে। তবুও অভিযোগ নেই। আমরা মানুষকে ভালবাসি কিন্তু এসব দুষ্টু পশুকে নয়। পৃথিবীতে পশু দল বাড়তে দেয়া যাবে না। মানুষ বাড়–ক দরকার হলে। মানুষ থাকলে আমরা পাখিরা বেঁচে থাকব। কারণ খাদ্যের প্রয়োজনে আমাদের তো মাটিতে নামতেই হয়। কোন দিন গাঁড় মচকে ধরে শেষ করে দিবে দুষ্টু পশুর দল।  তাই এসব দুষ্টু পশুদের হাতে রক্ষা নাই আমাদের।
ঈগল পাখিসহ সব পাখিরা আলোচনাক্রমে একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল।
এই মুহুর্তে অন্যান্য পাখিরা সকলে চিন্তা করছে কি করে মস্ত বড় বড় এই সব বাঘ, বাল্লুক, সিংহের মত দুষ্টু পশুদের  দুর করতে হবে। দুষ্টু পশুদের দলের বংশ বিস্তার হতে দেয়া যাবে না।
জাতীয় পাখি দোয়েলের মতামত চাইল ঈগল,
-দোয়েল বলল, দেখ আমার পাখিরজাত ভাইয়েরা। আমরা আকাশে থেকেও জমিনের দুষ্টু পশুদের আইনে চলতে বাধ্য করা হচ্ছে। এটা কোনভাবে মেনে নেয়ার মত নয়। এই আকাশ এই জমিন সবই কি পশুরা আধিপাত্য বিস্তার করবে! আমাদের কোন অধিকার নেই। তবে কেন পাখিদের জন্য আইন! জমিনে বা গাছের ডালে বসে বা সুর তুলে করে গান করা যাবে না। এটা কণ্ঠরোধ নয় শুধুমাত্র, এটা আমাদের হত্যার মত  প্রচেষ্টা।
আজ দোয়েলের শরীর অসুস্থ। তারপরও আবার বক্তব্য শুরু করেন, বলে- আমাদের কি কিছুই করার নেই! যুগে যুগে এই সব দুষ্টু পশুরা নিরহ পাখিদের ধরে খেয়ে সাবাড় করবে। শিয়ালের মত খারাপ প্রকৃতির পশুর সলাপরামর্শে নিরহ পাখি নিধন হবে কেন! আমি কালো হলেও যেহেতু জাতীয় পাখি সেহেতু সকলের ক্ষেদমতে পরামর্শ দিব, আজ থেকে নিজেদের রক্ষার শপথ নিতে হবে।
সকলেরই শ্রদ্ধেয় বয়োবৃদ্ধ শালিক তার বক্তব্যে বলে, যেভাবে হউক মানুষকে আকৃষ্ট করে তুলতে হবে বনে ঘুরার। তার জন্য যা যা করার করতে হবে। বিশেষ করে মানুষ বনে আসলে পশুরা বন ছেড়ে পালাবে। এসব বাঘ, বাল্লুক, সিংহের মত দুষ্টু পশুরা একেবারে না খেয়ে মরতে হবে। তারা পালাতে বাধ্য হয়ে। পন্ডিত শিয়ালের পরামর্র্শ নিলে বিপদে পড়তে হয় পশুরা বুঝবে। শিয়ালের পরামর্শ কি সব সময়য় ঠিক হবে। আমরাও কম না। উপায় নাই দুষ্টু পশুদের মরতে হবে না খেয়ে। এবংকি জীবন নিয়ে পালাতেও পারবে না তাদের কৃত কর্মের জন্য। খাওয়া তো দুরের কথা। শেষ মেশ চিড়িয়াখানায় বন্দি জীবন, না হয় মানুষের আক্রোসে লাটি পেটা বা শিকারীদের হাতে বন্দুকের গুলি খেয়ে মরতে হবে। তাই সমস্বর উচ্চ কণ্ঠে জোরালো ভাবে চিৎকার দিয়ে বলতে হবে “আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র মানি না, মানব না।”
ঈগল পাখি সকলের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ শুনে উপস্থিত অন্যান্য সকল পাখিদের সমর্থন চাইলেন। সকলে একসাথে সমর্থন করে। যে ভাবে আলোচনায় সিদ্ধান্ত হবে, সেভাবে কাজ শুরু হয়ে হবে।
শুরু হয় নিজ দেশে দুষ্টু পশুদের অত্যাচার, নির্যাতন, অন্ন, বাসস্থান আর মুখের ভাষার কথা বলার অধিকারের লড়াই। পাখিদের স্বাধীনভাবে বাঁচার লড়াই। এক সময় পারস্থ হয় দুষ্টু পুশুরা। অবশেষে পশুরা বন ছেড়ে পালায়। অনেকে পালিয়েও বাঁচতে পারিনি।
অনেক ক্ষতি হল। তারপরও এমন মার খেল ঐসব দুষ্টু পশুরা।
মুক্ত আকাশে সুরের পাখিরা আজ স্বাধীন। শিয়াল মামাও ফেঁসে গেল সেও পালাতে পারেনি। পাখিরা সবাই ধরে এমন মার দিল মরেই গেল। তারপরও বনের ঝুপে-ঝাপে শিয়াল ও দুষ্টু পশু থাকতে পারে লুকিয়ে তাই পাখিরা আকাশে উড়ে বেড়ায় সারাক্ষণ। দুষ্টু পশু দেখলেই তাড়া করবে এই ভেবে।
পাখিরা আজ স্বাধীন চেতা মনে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় আপন মনে গাছে গাছে, বন জঙ্গলে, পাহাড় কিংবা আকাশে। তারপরও নিজেদের মধ্যে দুষ্টু পাখি থাকলে চিহ্নিত করে নিরহ পাখিরা বসে আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে সুরাহা করে নিবে। তবে হায়নার দল দুষ্টু পশুদের দেখলেই রক্ষা নাই। দুষ্টু বাঘ, সিংহ ও হায়নার বিষাক্ত নখের থাবা নিরহ পাখিরা সবাই মিলে তাড়িয়ে দেওয়ার তিক্ষè দৃষ্টি সচলগতিতে বিদ্ধমান। তা না হলে আবার এসে গভীর বনে লুকিয়ে বংশ পরমপরায় দুষ্টু শিয়ালের দল ও দুষ্টু জন্তুরা নিরহ পশু-পাখিদের তাড়া করার সাহস পাবে। অধিকার কেড়ে নেবার চেষ্টা বিথা চেষ্টা করবে।


আরোও সংবাদ