নিম্ন কার্বন বিষয়ে কর্মশালা

প্রকাশ:| বুধবার, ৬ ডিসেম্বর , ২০১৭ সময় ০৮:৩৪ অপরাহ্ণ

‘জয়েন্ট ক্রেডিটিং মেকানিজম (জেসিএম) প্রমোটিং লো কার্বন প্রজেক্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও জাপান সরকারের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সহযোগিতা করে চট্টগ্রাম চেম্বার।

২০১৩ সালের ১৯ মার্চ জাপান সরকার এবং বাংলাদেশ সরকার নিম্ন কার্বনভিত্তিক উন্নয়ন অংশীদারিত্ব বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। এ চুক্তির আওতায় নিম্ন কার্বনভিত্তিক প্রকল্প গ্রহণ করলে জাপান সরকার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অনুদান দিয়ে থাকে। প্রকল্প সম্পর্কে চট্টগ্রামের শিল্পোদ্যোক্তাদের অবহিত করতেই এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. রাইসুল আলম মন্ডল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।  বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।

ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর আন্তরিক উল্লেখ করে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. রাইসুল আলম ম-ল বলেন, ২ দশমিক ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রামের ল্যাবকে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। যাতে বেশিরভাগ পরীক্ষা এখানেই সম্পন্ন করা যায়।

সকল সেবায় শিগগির অনলাইন সার্ভিস চালু করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামীতে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন নীতিমালা তৈরির ক্ষেত্রে সকল চেম্বারের মতামত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্রহণ করা হবে।

পরিবেশ রক্ষায় পাহাড় কাটা, বালি উত্তোলন ইত্যাদি ধ্বংসাত্মক কর্মকা- থেকে বিরত এবং ইটিপি পরিচালনায় দক্ষ জনবল নিয়োগের আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, রফতানি খাতে কমপ্লায়েন্স এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। শিল্পোদ্যোক্তাদের সংশ্লিষ্টতার মাধ্যমে জেসিএম সফল করা সম্ভব।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগবান্ধব দেশ। জাপান বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। মহান মুক্তিযুদ্ধপরবর্তী সময় থেকে জাপান বাংলাদেশের অবকাঠামো, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতা দিচ্ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে জাপানের বিনিয়োগ ১ হাজার ৩২০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বন্দরনগরী চট্টগ্রামে জাপানের বিনিয়োগ আরো বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ হতে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে।


আরোও সংবাদ